বিজেপিতে মুকুল ফুটতেই হাড়ি হাড়ি রসগোল্লা এল বিজেপি দফতরে

কলকাতা:  জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিজেপিতে নাম লেখালেন একদা তৃণমূলের ‘সেকেন্ড-ইন-কমান্ড’ মুকুল রায়৷ এদিন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ ও পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীর উপস্থিতিতে গেরুয়া নামাবলী গায়ে চড়ান তিনি৷ এদিকে মুকুল রায়ের বিজেপিতে যোগদানের পরই খুশির হাওয়া বইছে রাজ্য বিজেপি সদর দফতরে৷ দলে দলে কর্মীরা চলে আসেন ৬, মুরলীধর স্ট্রিটে৷ উল্লাসিত বিজেপি কর্মী ও নেতারা নিজেদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন৷ হাড়ি হাড়ি রসগোল্লা আনানো হয় বিজেপির সদর দফতরে৷

মুকুল রায়ের যোগদানের পর এখন থেকেই বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে৷ সামনেই রয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন৷ তারপর লোকসভা নির্বাচন৷ দক্ষ সংগঠক হিসাবে পরিচিত মুকুল রায় তৃণমূলে থাকাকালীন যে কায়দায় নির্বাচন করাতেন বিজেপি শিবিরে আসার পর সেই একই কায়দায় নির্বাচন করিয়ে দলকে জিতিয়ে নিয়ে আসবেন বলে মনে করছেন নেতা ও কর্মীরা৷ জয় বন্দ্যোপাধ্যায় তো জানিয়েই দেন, ‘‘মুকুল রায় যে দলে যাবে, সুবিধা পাবে৷ বিজেপি ফুটন্ত দল৷ বিজেপি সেকেন্ড দল৷ এটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে৷ রাজ্য থেকে সিপিএম-কংগ্রেস মুছে গিয়েছে৷ বিজেপি এখন দু’নম্বর৷ এখানে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের লড়াই চলছে৷ মুকুলের দলবদল তৃণমূলের ক্ষতি হবে৷ বিজেপির সমূহ লাভ হবে৷’’

অন্যদিকে এক শ্রমিক নেতা বাবান ঘোষ বলেন, মুকুল রায় দীর্ঘদিনের দক্ষ সংগঠক৷ তার যোগদানের পর বিজেপির শক্তি কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে৷ বর্তমান সরকারের আমলে মানুষ হাফিয়ে উঠেছে তার থেকে মুক্তি দেবে মুকুল রায়৷ একই কথা বলেন আরেক শ্রমিক নেতা রাহুল সাউ৷ তিনি জানান, পরবর্তী নির্বাচনগুলিতে মানুষ নিজের রায় দেবে৷ সেই রায় বিজেপির পক্ষেই যাবে৷

Advertisement ---
-----