ছবি- প্রতীকী

পাটনা: বিভিন্ন হোমের ভিতরে মেয়েদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা হয় তা বহুবার প্রকাশ্যে এসেছে যা সমাজের কালো ছবিকে নগ্ন করে দেখিয়ে দিয়েছে৷ ফের একবার এমনই ঘটনা প্রকাশ্যে এল৷ মুজফ্ফরপুরের একটি হোমে এক নির্যাতিতা মুখ খোলার পর যে ঘটনার কথা জানা গেল তা শুনে শিউরে উঠবে যে কেউ৷

জানা গিয়েছে, খাবারের মধ্যে নেশার ওষুধ মিশিয়ে তাদের নগ্ন হয়ে ঘুমোতে বাধ্য করা হত৷ কেউ বিরোধিতা করলে তাকে মারধোর করা হত৷ শনিবারে একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই জানা যায় মোট ৩৪জনকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে৷

Advertisement

পড়ুন: ১২০ মহিলাকে ধর্ষণের পর ভিডিও করে চলত ব্ল্যাকমেলিং

এক সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ১০বছরের এক নাবালিকা জানায়, তার খাবারে নেশার ওষুদ মিশিয়ে দেওয়া হত৷ সেই খাবার খেয়ে তার মাথা ঘুরত৷ হোমের আন্টি তাকে ব্রজেশ স্যারের ঘরে ঘুমনোর জন্য পাঠাতো৷ সকালে উঠে সে দেখতে তার পোশাক তার শরীরে থাকত না৷ আবার অন্য এক নির্যাতিতা জানায়, পোকা মারার ওষুধ বলে তাকে জোর করে একটি ওষুধ খেতে বলা হত, যা খেয়েই তারা ঘুমিয়ে পড়ত৷ সকালে উঠে তার সারা শরীরে খুবই ব্যথা হত৷

অনাথ, গৃহহীন মেয়েদের এই হোমে পাঠানো হত৷ এই হোমটি সেবা সংকল্প এবং সমিতি নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চালাত, যার প্রধান এই ব্রজেশ কুমার ঠাকুর৷ পুলিশের অনুমান, গত পাঁচ বছরে প্রায় ৪৭০জন মেয়েকে এই হোমে নিয়ে আসা হয়৷ প্রতিবেশীরা মেয়েদের চিৎকারের শব্দ কখনও কখনও শুনতে পেলেও অভিযোগ জানানোর সাহস করেনি৷ এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷

----
--