ফাইনালে আমেরিকা-জাপান লড়াই

নিউ ইয়র্ক: মেজর টুর্নমেন্টে বড় কোনও সাফল্য না থাকলেও দু’জনের তুলনামূলক কেরিয়ার গ্রাফকে সমান্তরাল বলা যাবে না কখনই৷ সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতা ও ঘরোয়া পরিবেশের খেলতে নামার নিরিখে জাপানি তারকা নাওমি ওসাকার থেকে এগিয়ে ছিলেন আমেরিকার ম্যাডিসন কিজ৷ তাছাড়া মার্কিন তারকা গতবারের যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের ফাইনালিস্ট৷

আরও পড়ুন: মিলম্যান ‘বধ’ করে ফ্লাশিং মেডোর শেষ চারে ‘জোকার’

কার্যত আন্ডারডগ হিসাবে কোর্টে নেমে ফ্লাশিং মেডোয় বিস্ফোরণ ঘটালেন জাপানি তারকা৷ সেমিফাইনালে ম্যাডিসনকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে প্রথমবার কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেলন ওসাকা৷

- Advertisement -

অন্যদিকে সেরেনা উইলিয়ামসকে অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছে চলতি যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে৷ স্বাভাবসূলভ আগ্রাসনে তিনি শেষ চারের লড়াইয়ে উড়িয়ে দিলেন লাটভিয়ান তরুণী অ্যানাস্তাশিয়া সেবাস্তোভাকে৷ সুতরাং চলতি যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের ফাইনালে আরও একবার আমেরিকা বনাম জাপানের দ্বৈরথ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে৷

আরও পড়ুন: য়ুকি-দ্বিবিজের চোট, ডেভিস কাপে স্ট্যান্ড বাই হলেন না নাগাল

চলতি ইউএস ওপেনের আগে গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গলসে ওসাকার সাফল্য বলতে এবছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রি-কোয়ার্টারে পৌঁছনো৷ অন্যজিকে ম্যাডিসন কিজ গতবছর যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে রানার্স হওয়া ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ফরাসি ওপেনের সেমিফাইনালে উঠেছেন একবার করে৷ উইম্বলজনের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন একবার৷

স্বাভাবিকভাবেই পাল্লা ভারি ছিল মার্কিন তারকার দিকেই৷ তবে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে দেন ওসাকা৷ মাত্র ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটে ম্যাডিসনকে ৬-২, ৬-৪ স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে দেন তিনি৷

আরও পড়ুন: কষ্টার্জিত জয়ে ফ্লাশিং মেডোর সেমিতে নাদাল

অপর সোমিফাইনালে সোবাস্তোভার বিরুদ্ধে আরও অনায়াসে জয় তুলে নেন সেরেনা৷ তিনিও ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট লড়াই চালান কোর্টে৷ তবে মাচের ফল উইলিয়ামসের অনুকূলে ৬-৩, ৬-০৷ বলাবাহুল্য, ফাইনালে ওসাকার বিরুদ্ধে সব দিক দিয়ে এগিয়ে থাকবেন সেরেনা৷ তবে সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও ওসাকা অঘটন ঘটাতে পারেন কিনা, সেটাই এখন দেখার৷

Advertisement
---