নয়াদিল্লি: জাতীয়তাবাদী শক্তির জেরে ভারতে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে ৷ বিবিসি রিসার্চ এমনটাই জানাচ্ছে ৷ ওই গবেষনায় উঠে এসেছে জাতীয় পরিচয়ের ক্ষেত্রে মদত দেওয়ার আবেগের চেয়ে প্রকৃত ঘটনা কম গুরুত্ব পাচ্ছে৷

সোশ্যাল মিডিয়া বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে দক্ষিণপন্থীদের নেটওয়ার্ক অনেক বেশি সংগঠিত বামেদের চেয়ে যারফলে জাতীয়তবাদী ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে ৷

আরও পড়ুন: ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানলে অন্তত ৪২ জনের মৃত্যু

তাছাড়া টুইটারে ভুয়ো খবর একে অপরের উপরে জড়িয়ে থাকায় এবং তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেটওয়ার্কের সমর্থন রয়েছে৷ গবেষণায় লক্ষ্য করা গিয়েছে, ভারত, কেনিয়া, নাইজেরিয়া বসবাসকারী সাধারণ নাগরিক জড়িত এই ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে৷ অংশ গ্রহণকারীরা বিবিসি-কে সাতদিন ধরে তাদের ফোনে অ্যাক্সেস করতে দিয়েছে এবং যাতে গবেষণকরা সুযোগ পায় দেখতে কি ধরনের বিষয় কাদের শেয়ার করা হচ্ছে ইত্যাদি৷

এই সমীক্ষাটি চালায় বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস এবং সম্প্রতি “Beyond Fake News” গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করা হয়েছে৷ তাছাড়া এই ধরনের ভুয়ো খবর কেমন করে রেডিও টিভি এবং পোর্টালে ঘুরে বেড়াচ্ছে চারপাশের লোকের ক্ষতি করছে৷

আরও পড়ুন: মুক্তি পেল দারিভিটে কাণ্ডে গ্রেফতার আট

এই তিন দেশেই মূলত প্রথাগত খবরের মাধ্যমকে বিশ্বাস করছে না বরং বিকল্প সূত্রে পাওয়া তথ্যকে কোন রকম যাচাই না করেই ছড়িয়ে দিতে উদ্যত হচ্ছেো৷ শুধু তাই নয় দেখা যাচ্ছে এই সব লোকেরা এই ধরনের খবরের উপর বেশি আস্থা রাখছেন৷

২০১৮ সালে ডিজিটাল তথ্যের বন্যা এই ধরনের তথ্যকে ছড়িয়ে দিয়ে সমস্যা আরও জটিল করেছে৷ বিবিসি সমীক্ষা অংশ গ্রহণকারীদের কাছে এই সব ভুয়ো তথ্য কোথা থেকে পেয়েছে তা জানতে প্রশ্ন করলে জবাবে সূত্র দেওয়ার বদলে কতটা নির্ভরযোগ্য তা বোঝাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে৷

আরও পড়ুন: এবার বন্দুকবাজের হানা লন্ডনে

এর মধ্যে পড়ছে ফেসবুকে দেওয়া পোস্ট বা ছবি ইত্যাদি এবং তা ঘিরে কমেন্ট শেয়ার এবং তা নিজেদের বন্ধু পরিজনের মধ্যে হোয়াটস অ্যাপ মারফত ঘুরতে থাকে কোনও রকম যাচাই ছাড়া৷

এভাবে হোয়াটস অ্যাপ মারফত ঘুরতে থাকা নানা মিথ্যে রটনার ফলে হিংস্রতা ছড়াচ্ছে ভারতে৷ বিবিসি বিশ্নেষন বলছে অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে গত এক বছরে এই ভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যে রটনার জেরে৷

আরও পড়ুন: শিব-ভক্তের কেরামতিতে নাস্তানাবুদ মুকুল রায়, কেন জানেন!

----
--