লোকসভা নির্বাচনের আগে বিহারে এনডিএ-র আসন সমঝোতা চূড়ান্ত

পাটনা: অবশেষে বিহার নিয়ে আসন রফা চূড়ান্ত হল৷ আসন্ন ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রেক্ষিতে আসন বন্টন নিয়ে সিদ্ধান্তে এল বিজেপি ও জেডিইউ৷ এনডিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে লোকসভা নির্বাচনে বিহারে বিজেপি লড়বে ২০টি আসনে, জনতা দল ইউনাইটেড লড়ছে ১২টি আসনে ও এলজেপি বা লোকজনশক্তি পার্টির জন্য থাকছে পাঁচটি আসন৷

যদি রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টি বা আরএলএসপি, এনডিএ-র অংশ হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তবে বিজেপির তরফ থেকে তাদের দুটি আসন ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে৷

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও আরএলএসপি প্রধান উপেন্দ্র কুশওয়াহা বলেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই রয়েছেন৷ বিজেপি যাতে ২০১৯ সালে ফের ক্ষমতায় আসতে পারে তারজন্য সবরকম চেষ্টা চালাবে আরএলএসপি৷ সূত্রের খবর বিজেপি উত্তর প্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডে জেডিইউকে একটি করে আসন ছাড়বে বলে জানা গিয়েছে৷

- Advertisement -

সূত্র জানাচ্ছে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ও জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই এই আসম সমঝোতা চূড়ান্ত হয়৷ জুলাই মাসে বিহারে নীতিশ অমিত বৈঠক হয়৷ তখনই অমিত সাহ জানিয়ে দিয়েছিলেন বিহারে বিজেপি একা নয়, লড়বে জেডিইউকে নিয়েই৷ তবে তখন আসন সমঝোতা নিয়ে মতানৈক্য ছিল৷

নীতীশের দাবি ছিল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিহার থেকে অন্তত ১৭টি আসন জেডি(ইউ)-কে ছাড়তে হবে। মোটকথা, ১৭টি আসনে লড়বে জেডিইউ আর বিজেপি ১৭টিতে। মোট ৪০টি আসনের বাকি ৬টি আসন ছাড়া হবে এলজেপি, আরএলএসপিকে।

যদিও বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়, জোটের সব দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করতে চায় তারা। বিজেপির তরফ থেকে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলকে মাথায় রেখে ২০১৯ এ কে কতগুলো আসন পাবে তা ঠিক করার কথা বলা হয়। তবে বড় শরিকের এই দাদাগিরিতে একদমই রাজি ছিল না জেডিইউ। তাদের তরফ থেকে বলা হয় যে, ২০১৪ আর ২০১৯ এক নয়। ফলে ২০১৪ তে কি হয়েছে সেটা দেখে ২০১৯ এ আসন সংখ্যা ঠিক করা যাবে না।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ২২টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। সেখানে মাত্র ২টি আসন জুটেছিল নীতীশের দলের। আবার, বিজেপি বিরোধী মহাজোট করে বিধানসভা নির্বাচনে পাল্টা বাজিমাত করে জেডি(ইউ)।

২০১৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জনতা দল ইউনাইটেড পায় ৭১ টি আসন। অন্যদিকে বিজেপি পায়, মাত্র ৫৩ টি আসন।

Advertisement ---
---
-----