১২ বছর পর মুন্নারে ফুটল নীলাকুরিনিজি

তিরুঅনন্তপুরম: পাহাড়ের কোলে যেন গোলাপি চাদর৷ গালিচা পেতে তৈরি গোলাপি-জাম রঙের মেলবন্ধন৷ ১২ বছর পর বর্ষার মুন্নারে ফুটেছে নীলকুরিনিজি ফুল৷ পশ্চিমঘাটের কোলে ছোট্ট পাহাড়ি শহর মুন্নার নানা রঙের সবুজের জন্য মনমুগ্ধকর৷ তবে, ১২ বছরের ব্যাবধানে মুন্নরের কোল যখন নীলাকুরিনিজি আলো করে তখন সবুজের চেয়েও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে ছোট ছোট গোলাপি ফুলের সমাহার৷ যা দেখতে পর্যটকদের ভিড় মুন্নর জুড়ে৷

১২ বছর অন্তর মুন্নারে ফোটে নীলকুরনিজি৷ দেশের অনেক পর্যটকই নীলকুরনিজির কথা মাথায় রেখেই মুন্নরে আসেন৷ ১২ বছরের ব্যবধানটা যদিও বড্ড বেশি৷ কিন্তু মুন্নারকে যারা ভালোবাসেন তারা জানেন কখন পাহাড়ের রং গোলাপি হয়৷ তাই আপাতত মুন্নারে পর্যটকদের বেশ ভিড়৷ বেশিরভাগ হোটেল, হোম স্টে- ভর্তি৷ অনেকেই মুন্নরের গোলাপি শোভা দেখতে শহর থেকে অনেক দূরে থাকছেন৷

পড়ুন: ১৭ বছরের অ্যালিসার হাত ধরেই হয়ত ফুল ফুটবে মঙ্গলে

- Advertisement -

কাশ্মীরে মার্চের টিউলিপ যতটা মনকাড়া, মুন্নারের নীলাকুরনিজিও ঠিক ততটাই আকর্ষনীয়৷ একদিকে সবুজ চা বাগানে গাঢ়, হাল্কা মিলমিশ, অন্যদিকে নীলাকুরনিজির গোলাপি-নীল-জাম রঙের মিশ্রিত আভাস, সবমিলিয়ে মুন্নার বাধনহারা সৌন্দর্যে ভরপুর৷ আর মাঝে মাঝেই খেলে বেরাচ্ছে ‘মঞ্জু’(স্থানীয় ভাষায়)অর্থাৎ কুয়াশা৷ বর্ষায় স্নাত মুন্নার আসলে পশ্চিমঘাটের সেই সুন্দর পাতা যা চিরন্তন সতেজ৷

জুলাইয়ের শেষে ফুটেছে নীলাকুরনিজি, থাকবে অক্টোবর মাস পর্যন্ত৷ পাহাড়ি রাস্তার বাঁক যেখানে থমকে যাবে সেখানেই দখা মিলবে নীলাকুরনিজির৷ কারণ, চোখ মিললেই স্বপ্নের মুন্নার যেন রূপকথার দেশটিকেও হার মানাবে৷

Advertisement
---