মোদীকে চিনা জুজুর ভয় দেখিয়ে নেপালি প্রধানমন্ত্রীর সফর শুরু

নয়াদিল্লি: পারস্পরিক সম্মান ও সমতার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে নেপালের সম্পর্ক থাকুক৷ এই বার্তা দিয়েই দিল্লি পৌঁছলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি৷ রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ দু’জনের মধ্যে বিশেষ সৌহার্দ্যমূলক বাক্যালাপ হয়েছে৷ রাষ্ট্রপতি ভবনে নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হবে৷ পরে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি৷

কাঠমাম্ডু থেকে নয়াদিল্লি আসার আগেই ভারতকে কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছেন কেপি ওলি৷ বৃহস্পতিবার তিনি জানান, নিখাদ বন্ধুত্বের মাধ্যমে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। েইন বার্তায় প্রচ্ছন্নভাবেই দিল্লিকে কড়া কথা বলা হয়েছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল৷

কিছু কূটনৈতিক ধারণা, মোদীর নেতৃত্বে এনডিএ সরকারের সঙ্গে নেপালের কূটনৈতিক সম্পর্ক গরম হয়েছে৷ এই সুযোগ কাজে নিতে মরিয়া চিন৷ ফলে বেজিং থেকে লাগাতার সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছে৷ নেপালের মাটিতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগে রাজি চিন সরকার৷ কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশেষ করে নেপালের তরাই এলাকায় ভারতের অযাচিত ‘নাক গলানো’-কে ভাল চোখে দেখেনি কাঠমাণ্ডু৷ ক্রমশ গরম হয়েছে ভারত-নেপাল সম্পর্ক৷ আর নেপালের মাটিতে বেড়েছে ভারত বিদ্বেষ৷ এতেই চিন্তিত দিল্লি৷ সম্পর্ক মজবুত করতে তাই বারবার কাঠমান্ডু সফর করেছেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ৷

- Advertisement -

নেপালের মাটিতে চিনের অবস্থান পাকা হলে চিন্তা বাড়বে নয়াদিল্লির৷ এই অবস্থার মধ্যেই ফের কুর্সিতে বসা নেপালি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সফর তাই বিশেষ আলোচিত৷