প্রবীণদের নতুন বিপদ “এলডরলি অ্যাবিউজ”

শ্রীরূপা পত্রনবিশ: রোগ – জীবাণু নয়, এখন “এলডরলি অ্যাবিউজ”-ই হল প্রবীন নাগরিকদের কাছে নতুন বিপদ। শুধু ভারত নয় এই নতুন জীবাণুর প্রকোপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশেও প্রবলভাবে বেড়েছে । এনিয়ে প্রবল উদ্বিগ্ন চিকিৎসক থেকে গবেষক।

মোট পাঁচ রকমের নিগ্রহ থেকে সাবধান করছেন গবেষকরা। শারীরিক নিগ্রহ , যৌন নিগ্রহ, মানসিক নিগ্রহ, অবহেলা আর অর্থনৈতিক নিগ্রহ। জেরিট্রিশিয়ান তথা বয়স্কদের রোগ বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা যে যত সময় যাবে, তত এই সমস্ত অ্যাবিউজ বাড়বে। আর, গবেষণা বলছে এই ধরনের অবিরাম নিগ্রহের জেরে প্রবীণদের মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে ৩০০ শতাংশ।

শুধু তাই নয়, মার্কিন গবেষণার তথ্যে থেকে দেখা গিয়েছে নিয়মিত নিগ্রহের শিকার হওয়া প্রবীণ নাগরিকদের আয়ু গড়ে নয় বছর কমে যায়।

- Advertisement -

অথচ, ওই নাগরিকদের নিগ্রহের ঘটনা চিহ্নিত করে সাহায্য করার পরিকাঠামো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। ভারতে তো নয়। মার্কিন মুলুকেও নয়। সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলো, যেখানে কিছু অভিনব ব্যবস্থা আর নজরদারি রয়েছে।

এবার ওই “অসহায়” প্রবীণদের জন্য এসে গিয়েছে এক অভিনব অ্যাপ। চটজলদি তথ্য সংরক্ষিত রাখা যাবে। ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তা নথিভুক্ত রাখা যাবে। আবার দরকারে প্রামাণ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। সৌজন্যে এক ভারতীয় চিকিৎসক তথা প্রযুক্তিবিদ। সুধীর রেড্ডি কোয়াগুরা। পোশাকি নাম – “সহায়” – বিপদে প্রবীণদের মুশকিল আসান।

হায়দ্রাবাদের ওসমানিয়া মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তনী। বর্তমানে আর্কানসাসের নর্থ ওয়েস্ট মেডিক্যাল সেন্টারের অধিকর্তা সুধীরের মতে, পরিসংখ্যান বলছে বর্তমানে সারা বিশ্বে কম করে ১:২ বিলিয়ন হবে। পাকা চুল, কুঁচকে থাকা ত্বক আর অসমর্থ পায়ে চলা ফেরা করা মানুষ দেখলেই সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই নিগ্রহের সম্ভাব্য শিকার হতে পারেন। ওই অসহা বয়স্কদের নিগ্রহ ঠেকাতে সুধীর এনেছে “সহায়”।

Advertisement
----
-----