মুম্বই: ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপের প্রথম দু’ম্যাচে চাইনিজ তাইপে ও কেনিয়াকে দাপটের সঙ্গে পরাজিত করেছিল ভারত৷ তবে তৃতীয় ম্যাচে ফিফা ব়্যাংকিংয়ে নিজেদের থেকে অনেক পিছিয়ে থাকা নিউজিল্যান্ডের কাছে ১-২ গোলে হার মানতে হয় সুনীল ছেত্রীদের৷

টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৫-০ গোলে পরাজিত করে ভারত৷ বৃষ্টিভেজা দ্বিতীয় ম্যাচে কেনিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দেয় সুনীল ছেত্রীরা৷ প্রথম দু’ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয়ের সুবাদে ফাইনালের টিকিট কার্যত আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ভারতের৷ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচে তাই ভারতীয় কোচ স্টিফেন কনস্ট্যান্টাইন রিজার্ভ বেঞ্চ যাচাই করে নেওয়াই শ্রেয় মনে করেন৷

এমনিতে ফিফা ব়্যাংকিংই অনুযায়ী ভারত টুর্নামেন্টের বাকি দলগুলির থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে৷ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতের ব়্যাংকিং ৯৭৷ সেখানে কেনিয়া ও চাইনিজ তাইপে ও নিউজিল্যান্ডের ফিফা ব়্যাংকিং যথাক্রমে ১১১, ১২১ ও ১৩৩৷ সুতরাং টুর্নামেন্টের দুর্বলতম দলের বিরুদ্ধে ভারতের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিকল্পনা মোটেও অযৌক্তিক ছিল না৷

শুরু থেকে সমানে সমানে টক্কর দিলেও ১৯ বছর বয়সী এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতই অনভিজ্ঞ তরুণ কিউয়ি দলকে এ যাত্রায় সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান৷ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল খেলে পিছিয়ে পড়া নিউজিল্যান্ডকে প্রথমে সমতায় ফিরতে এবং পরে জয়ের চৌকাঠে পা দিতে সাহায্য করেন সরপ্রীত সিং৷ নিজে গোল না করলেও দলের জোড়া গোলের পিছনেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি৷ ৪৯ মিনিটে আন্দ্রে জং ও ৮৬ মিনিটে জন ডায়েরকে গোলের পাস বাড়ান সরপ্রীতই৷

তার আগে অবশ্য সুনীল ছেত্রীর লাকি গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত৷ ৪৮ মিনিটে কিউয়ি গোলরক্ষর বিপদ এড়াতে বলে সজোরে শট নিলে তা সুনীলের পায়ে লেগে ঢুকে যায় নিউজিল্যান্ডের জালে৷ যদিও ভারত পড়ে পাওয়া গোলের সুবিধা নিতে পারেনি ম্যাচে৷ বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিং টাচের অভাবে ভারতকে হার স্বীকার করেই মাঠ ছাড়তে হয়৷ কেরিয়ারের ৫০ তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নেমে সহজ সুযোগ মিশ করেন জেজেও৷

কিউয়িদের কাছে হারলেও ফাইনালে বদলা নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যেতে পারে ভারত, যদি না লিগের শেষ ম্যাচে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিতে কেনিয়া লড়াই থেকে ছিটকে দেয় নিউজিল্যান্ডকে৷

----
--