মোদী শরিফকে জড়িয়ে ধরলে প্রশ্ন করে না কেউ: সিধু

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পাকিস্তানে গিয়ে নওয়াজ শরিফকে জড়িয়ে ধরলে কেউ কোনও প্রশ্ন করে না৷ অথচ তিনি পাক সেনাপ্রধানকে আলিঙ্গন করেছেন বলে সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে৷ মোদীকে টেনে এনে মঙ্গলবার সমালোচকদের বিশেষ করে বিজেপিকে পাল্টা জবাব দিলেন পাঞ্জাব কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী ও প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজোৎ সিং সিধু৷

তিনি জানান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী বাসে চেপে লাহোর যেতে পারেন৷ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে পাকিস্তান গিয়ে নওয়াজ শরিফকে আলিঙ্গন করে আসতে পারেন৷ তখন তো কারোর সাহস হয় না মোদীকে প্রশ্ন করার৷

- Advertisement -

সিধু জানান, তিনি পাঞ্জাব সরকারের মন্ত্রী বা রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসাবে ইমরান খানের পাক প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাননি৷ গিয়েছিলেন পুরানো এক বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে৷ সিধু ছাড়া কপিল দেব ও সুনীল গাভাস্কারকে ইমরান খানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল৷ কিন্তু একমাত্র ভারত থেকে সিধুই যান ইসলামাবাদ৷

 

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সাংবাদিকদের বলেন,‘‘পাকিস্তান থেকে একটি আমন্ত্রণপত্র পেয়েছি৷ তারপর আমি ভারত সরকারের কাছে সেদেশে যাওয়ার অনুমতি পাই৷ পাক সরকার আমার ভিসা গ্রহণ করার দু’দিন পর সুষমা স্বরাজ ব্যক্তিগতভাবে আমায় অনুমতির কথা জানান৷’’

শুধু পাক সেনাপ্রধান জাভেদ কামাল বাজওয়াকে আলিঙ্গন করেই নয় ফ্যাসাদে পড়েননি সিধু৷ ইমরানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট মাসুদ খানের পাশে বসতে দেখা যায়৷ এ প্রসঙ্গে সিধুর ব্যাখ্যা, অন্তিম মুহূর্তে তাঁর আসন বদল করা হয়৷ পাঁচ মিনিট আগে বলা হয় সামনের সারিতে তাঁর বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ তিনি সেখানেই বসেছেন যেখানে তাঁর জন্য বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷

শুধু বিজেপি নয়, দলের অভ্যন্তরে সমালোচনার মুখে পড়েন সিধু৷ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিংও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যর পাশে দাঁড়াননি৷ তবে সিধু জানান, অমরেন্দ্র সিং ও অন্যান্য কংগ্রেস নেতারা তাঁর সমালোচনা করলেও তিনি সেই পথে হাঁটবেন না৷

Advertisement ---
---
-----