নয়াদিল্লি: রাজনীতি অনেক হয়েছে৷ গবেষণা শেষ করে এবার আর পাঁচজন সাধারণ যুবকের মতো চাকরি করতে চান কানাইয়া কুমার৷হ্যাঁ ৷ সেই কানাইয়া কুমার, একসময় যার ‘দেশ বিরোধী’ স্লোগানকে কেন্দ্র উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ৷ সেই কানাইয়া কুমার যাকে দিল্লির আদালতের বাইরে মাটিতে ফেলে পিটিয়েছিল বিজেপি ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা৷

হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণারত ছাত্র রোহিত ভেমুলা মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সরব হয় জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র কানাইয়া কুমার৷ কেন্দ্রের সমালোচনা করতে গিয়ে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে৷ তারপরেই গোটা দেশের কাছে ‘তাজা নেতা’ হয়ে ওঠেন বিহারের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান কানাইয়া৷ কিন্তু এবার রাজনীতিতে তাঁর আর ইচ্ছে নেই বলে অকপট স্বীকারক্তি৷

Advertisement

তবে রাজনীতিতে অনিচ্ছার কথা বলতে গিয়ে কানাইয়ার গলায় ঝড়ে পড়ল আফসোসের সুর৷ তাঁর বক্তব্য, কোনও মন্ত্রীর ছেলে হলে সহজে মন্ত্রী হওয়া যায়৷ফেসবুক বা ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট অন্য কোনও ব্যক্তি দেখভাল করতে পারে৷ তবে কানাইয়ার বাবা বা পরিবারের কেউ রাজনীতির সঙ্গে কোনও কালেই তেমনভাবে যুক্ত নয়৷তাই এই বাম যুবনেতার কথা অনুযায়ী, গবেষণা শেষ করে চাকরি করবেন তিনি৷ তবে রাজনীতি করতে গিয়ে সমাজের থেকে যে শিক্ষা তিনি পেয়েছেন তা আগামী দিন পথ চলতে তাঁকে সাহায্য করবে বলেও দাবি করেছেন তিনি৷

তবে বাম এই যুবনেতার কণ্ঠে আফসোসের সুর থাকলেও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এদিনও এক হাত নেন তিনি৷ ফের একবার বলেন, দেশের কোন মানুষ কী কাবে আর কী খাবে না তা তাঁদের একান্ত নিজস্ব বিষয়৷ এই বিষয়ে কেন্দ্র কখনোই ফতোয়া জারি করতে পারে না৷পাশাপাশি ধর্ম নিয়েও সরব হন কানাইয়া৷ অভিমানি কানাইয়ার বক্তব্য, কোন ধর্মকে কে বালোবাসবে তাও তাদের নিজস্ব বিষয়৷ পরস্পরের উচিত অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা৷

----
--