বেতন না বাড়িয়ে শিরোনামে ইনি! চিনে নিন বিখ্যাত এই শিল্পপতিকে

নয়াদিল্লি: বেতন না বাড়িয়ে শিরোনামে রিলায়েন্স কর্তা৷ মুকেশ আম্বানি, বিশ্বের ধনীতম ব্যাক্তিদের মধ্যে অন্যতম নাম৷ গত দশ বছরে নিজের বেতন বাড়াননি তিনি৷ সবমিলিয়ে বার্ষিক বেতন ছিল ১৫ কোটি৷ জানা গিয়েছে, ২০০৮-০৯ থেকে একই বেতন ছিল তাঁর৷ যেটির পরিমান হতে পারত ২৪ কোটি প্রতি বছরে৷

২০১৮ আর্থিক বছরে নিখিল এবং হিতেল মেসয়ানি সহ সংস্থার একাধিক পরিচালকের পারিশ্রমিক বাড়তে দেখা গিয়েছে৷ ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে পারিশ্রমিক ছিল ৪.৪৯ কোটি, বেতন এবং বিশেষ সুবিধাগুলি নিয়ে৷ যা ছিল গত বছরের তুলনায় বেশি৷ গত আর্থিক বছরে ২০১৬-১৭ তে পরিমান ছিল ৪.১৬ কোটি৷ কমিশন যদিও অপরিবর্তিত ছিল ৯.৫৩ কোটিতে যখন নিয়মিত বেতনের উপর অতিরিক্ত ভাতা দিতে অস্বীকার করা হয়৷ অবসরের পরবর্তী সুযোগ সুবিধা বাবদ দেওয়া হত ৭১ লাখ টাকা৷

আম্বানি স্বেচ্ছায় তাঁর বেতন বেধে রেখেছিলেন ১৫ কোটি টাকা৷ কর্ণধারের আত্মীয় নিখিল আর মেসয়ানি এবং হিতাল আর মেসয়ানির ক্ষতিপূরণ পৌঁছেছে প্রায় ১৯.৯৯ কোটিতে৷ ২০১৬-১৭ তে তাঁরা প্রত্যেকে পেয়েছিলেন ১৬.৫৮ কোটি টাকা৷ ২০১৫-১৬ তে নিখিল ১৪.৪২ কোটি এবং হিতেল ১৪.৪১ কোটি বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন৷

- Advertisement -

২০১৪-১৫ তে তাঁরা প্রত্যেকে পেয়েছিলেন ১২.০৩ কোটি৷ সংস্থার আরও এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর পি.এম.এস প্রসাদের পারিশ্রমিক ২০১৬-১৭ তে ৭.৮৭ কোটি থেকে ৮.৯৯ কোটিতে পৌঁছায়৷ সংস্থার অন্য এক কর্মী পবন কুমার কপিলের ক্ষতিপূরণের পরিমান গিয়ে পৌঁছায় ৩.৪৭ কোটিতে৷ ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে তাঁর পারিশ্রমিক ২.৯৪ কোটি থেকে কমে ২.৫৪ কোটিতে পৌঁছায়৷ ২০১৪-১৫ তে তিনি উপার্জন করেছিলেন ২.৪১ কোটি৷

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির নন-এক্সিকিউটিভ অফিসার, যার মধ্যে নীতা আম্বানির নাম উল্লেখ্য৷ সিটিং-ফি ছাড়া কমিশন হিসেবে প্রত্যেক কমিশনে তিনি পান ১.৫ কোটি৷ গত বছরে কমিশনের পরিমান ছিল ১.৩ কোটি৷ সিটিং-ফিতে তিনি অবশ্য পান ৬ লাখ টাকা৷

Advertisement ---
---
-----