কবিগুরুর ‘ঘরে’ এসে বারবার বাবাকে মনে পড়ছিল হাসিনার

স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর: রাঙামাটির দেশে পা রেখে আবেগে ভাসলেন ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ বারবার তাঁর আজ মনে পড়ছিল বাবার কথা৷ বঙ্গবন্ধুর কথা৷ শেখ মুজিবুর রহমানের কথা৷

নিজে হাতে শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন করে আপ্লুত হাসিনা৷ নিজে মুখে স্বীকারও করেন সে কথা৷ বলেন, ‘‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত৷ বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনের সুযোগ পেলাম৷ সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী রয়েছে৷’’

আরও পড়ুন: ছিটমহল বিনিময় প্রসঙ্গ টেনে বর্তমানকে ১৯৭১-এর সঙ্গে তুলনা হাসিনার

- Advertisement -

হাসিনা বলেন, রবীন্দ্রনাথ শুধু ভারতের নয়, বাংলাদেশেরও৷ তাঁর কথায়, ‘‘দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতই তাঁর লেখা৷ অসংখ্য লেখা রয়েছে তাঁর বাংলাদেশের মাটিতে বসে৷’’ এরপরই হাসতে হাসতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হাসিনা বলেন, ‘‘আমাদের অধিকারবোধটা বোধহয় রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে একটু বেশিই৷’’

এর আগে বিশ্বভারতী তাঁকে দেশিকোত্তম সম্মান দিয়েছে৷ বহুদিন পর আবার রবিঠাকুরের দেশে এসে খুব খুশি তিনি৷ বাবাকে মনে পড়েছে দিনভর৷ চোখও ছলছল করেছে সে সব কথা বলতে গিয়ে৷ হাসিনা বলছিলেন, ‘‘আমাদের বাড়িতে পড়ার খুব চল৷ এটা বাবার জন্য৷’’ এরপরই বলেন, বাবা কীভাবে রবিঠাকুরকে তাঁদের রক্তস্রোতে বইয়ে দিয়েছিলেন৷

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরাতে মোদীর কাছে সাহায্যের আর্জি হাসিনার

শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘আমরা স্টিমারে করে গ্রামের বাড়ি যেতাম৷ মনে আছে, প্রায় ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা সময় লাগত৷ স্টিমারের ডেকে বসে বাবাকে উদাত্ত গলায় আবৃত্তি করতেন৷ রবিঠাকুরের কবিতা বলতেন একের পর এক৷ ‘যেতে নাহি দিব’ যে কতবার শুনেছি৷’’

রবীন্দ্রনাথ আবেগের আরেক নাম৷ তা দেশটার নাম ভারতবর্ষ হোক৷ কিংবা বাংলাদেশ৷ শেখ হাসিনা বারবার এ কথাটাই বুঝিয়ে গেলেন৷

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনে এসে গর্বিত হাসিনা

Advertisement ---
---
-----