প্রেসিডেন্সিতে মুর্তি: ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে কালি অশোভনীয়

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: প্রেসিডেন্সির মত ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে কালি দেওয়া অত্যন্ত লজ্জাজনক বিষয়৷ বুধবার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেমিনারে যোগ দিতে এসে এমনই মন্তব্য করলেন ইনফোসিসের কো-ফাউন্ডার এন আর নারায়ণ মূর্তি৷

ইনফোসিসের কো-ফাউন্ডার এন আর নারায়ণ মুর্তি বলেন, ‘‘আমি আপনাদের একটা কথা বলতে পারি, আমি খুব দুঃখিত৷ একটি ছোট অংশের পড়ুয়া দেওয়ালে বিভিন্ন ধরণের লেখা লিখেছে৷ তা দেখে আমি খুব হতাশ৷ আমি জানিনা তারা কে, তাদের জীবনের দর্শন কী৷ আমি মনে করি এই ঐতিহ্যবাহী বিল্ডিংটির সৌন্দর্য নষ্ট করা অত্যন্ত লজ্জাজনক কাজ৷’’

এদিনের সেমিনারে নোটবন্দি নিয়েও বলেন এন আর নারায়ন মুর্তি৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি অর্থনীতির বিশেষজ্ঞ নয়৷ কিন্তু আমি দেখেছি শহুরে বুদ্ধিজীবিরা নোটবন্দির ধারণাকে মেনে নেননি৷ কিন্তু গ্রামীণ ভারতীয়দের মধ্যে বেশিরভাগই এই পদক্ষেপটিকে স্বাগত জানিয়েছিল৷’’

- Advertisement -

যদিও তিনি নিজে নোটবন্দির কারণ বুঝতে পারেননি বলে দাবি করেন৷ তিনি বলেন, ‘‘যদিও আমি অর্থনীতির বিশেষজ্ঞ নই৷ তাও আমি দেখেছি, কোন কারণে ৫০০ টাকার নোট বন্দি করা হয়৷ তারপর সরকার দ্রুত ৫০০ টাকার ও ২০০০ টাকার নতুন নোট বের করে৷ এই বিষয়ে অভিজ্ঞ কেউ বলতে পারবেন এটা কেন হয়েছে৷ আমি বুঝতে পারিনি৷’’

দেশের আইটি শিল্প নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, ১৯৫০ সালের পর থেকে ভারত জাপান বা চিনের মত কম-প্রযুক্তি উৎপাদনের দিকে লক্ষ্য দেয়নি৷ দুর্ভাগ্যবশত ভারতের ৭৫ শতাংশ ছেলেমেয়ে স্কুলে যায়৷ কিন্তু অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পৌঁছাবার আগেই তারা স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দেয়৷ তাই যখন তাদের বয়স যখন ২২ বছর হয়, তখন তাদের কাজের প্রয়োজন পড়ে৷ কিন্তু তখন তারা শুধুমাত্র কম-প্রযুক্তি উৎপাদন কাজের জন্য উপযুক্ত হয়৷ ১৯৫০ থেকেই অর্থনীতিবিদদের তাদের কথা ভাবা উচিত ছিল বলে দাবি এন আর নারায়ণ মুর্তির৷

Advertisement ---
-----