দিঘার কাছে মমতার বিশ্ববাংলা উপড়ে ফেলল নবীনের সরকার

স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: মশানজোড়ের পর উদয়পুর৷ ফের বাংলার সঙ্গে কাজিয়া লাগল আরও এক পড়শি রাজ্যের৷ এবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল ওডিশার সরকার৷

আরও পড়ুন: রামদেব বাবার মন্দিরে ঘোড়া দিলেই ইচ্ছেপূরণ

- Advertisement -

আরও পড়ুন: OMG! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ব্যোমকেশ!

বিতর্কের সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের তরফে বসানো একটি বোর্ড ঘিরে৷ উদয়পুরে রাস্তার ধারে বাংলার প্রশাসনের তরফে ওই বোর্ড বসানো হয়৷ দিঘার সমুদ্র সৈকতেন রক্ষা ও সৌন্দর্যায়ন সংক্রান্ত ওই বোর্ড বসানো হয় রাজ্যের সেচ ও জলসম্পদ দফতরের পক্ষ থেকে৷

আরও পড়ুন: জয়ী বিজেপি প্রার্থীর শংসাপত্র ‘ছিনিয়ে নিল’ তৃণমূল!

মঙ্গলবার সকালে সেখানে আচমকাই হাজির হন ওডিশা সরকারের প্রতিনিধিরা৷ তাঁরা ওই বোর্ড ভেঙে ফেলার তোড়জোড় শুরু করতেই হইচই পড়ে যায়৷ খবর যায় বাংলার প্রশাসনের কাছেও৷ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দিঘা থানার পুলিশ৷ যান পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের বিডিও অনুপম বাগ ও অন্য প্রশাসনিক কর্তারা৷

আরও পড়ুন: তিনজনকে মহাকাশে পাঠাচ্ছে ভারত, জানিয়ে দিল ISRO

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর বন্যাত্রাণ তহবিলে জমা পড়ল ৭০০ কোটিরও বেশি

তাঁদের প্রচেষ্টা অবশ্য সফল হয়নি৷ তাঁদের সামনেই ওই বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয় ওডিশা বোর্ডের তরফে৷ ফলে আগামিদিনে এই বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ কারণ, যে জায়গায় বোর্ড, তা ওডিশার ভিতর নাকি বাংলার, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তরজা শুরু হয়েছে দুই রাজ্যের প্রশাসনের মধ্যে৷ শুরু হয়েছে দোষারোপের পালাও৷

আরও পড়ুন: এশিয়াডে প্রতিবেশী দেশকে ২০ গোল ভারতের

আরও পড়ুন: তিনজনকে মহাকাশে পাঠাচ্ছে ভারত, জানিয়ে দিল ISRO

২০১৬ সাল থেকে এই বিতর্কের সূত্রপাত৷ সেই সময় ওডিশার বালেশ্বর জেলা প্রশাসন উদয়পুরের রাস্তা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়৷ এ নিয়ে তখনই একবার বিবাদ বেঁধেছিল৷ সেই সময় দুই রাজ্যের সচিব পর্যায়ের বৈঠককও হয়৷ সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় উভয় রাজ্যের নকশা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজ এখনও ঝুলে রয়েছে৷

আরও পড়ুন: লোকসভা নির্বাচনে ভারতে বন্ধু সরকার চায় যুযুধান আমেরিকা-রাশিয়া

আরও পড়ুন: লাল কার্ড দেখে ট্র্যাক থেকে ছিটকে গেলেন হিমা দাস

অথচ এর মধ্যে ওই রাস্তা একাধিকবার সংস্কারের কাজ হয়েছে৷ সম্প্রসারণ হয়েছে৷ সব কাজই করেছে ওডিশা প্রশাসন৷ রাস্তার পাশে বাংলার তরফে কিছু করতে গেলেই বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ৷ তাই এবার এ নিয়ে চাপানউতোর বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে৷

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মশানজোড় নিয়ে গোলমাল বেঁধেছিল বাংলা ও ঝাড়খণ্ড সরকারের মধ্যে গোলমাল বাধে৷ দু’পক্ষের মধ্যে চাপানউতোর চলছে এখনও৷

আরও পড়ুন: এবার মোমো মেসেজ পেলেন DIG CID

Advertisement ---
---
-----