হাতেনাতে পাকড়াও দুষ্কৃতী, উদ্ধার লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: থানায় অভিযোগের আগেই চুরি যাওয়া লক্ষাধিক টাকার স্কুলের যাবতীয় সামগ্রী উদ্ধার করল জলপাইগুড়ির কোতয়ালি থানায় পুলিশ। হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় এক দুষ্কৃতীকেও৷ ধৃতের নাম গোপাল দাস, জলপাইগুড়ি জয়ন্তি পাড়ার বাসিন্দা সে৷

শনিবার রাতে জলপাইগুড়ি হাই স্কুলে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালায়। স্কুলের কম্পিউটার রুমে তাণ্ডব চালিয়ে বেশ কয়েকটি কম্পিউটার ভেঙে ফেলে তারা। এরপর স্কুলের অফিস রুমের ভিতর থেকে ফ্যান, মিড ডে মিলের থালা, ঘণ্টা, একাধিক ট্রফি, একটি মিউজিক সেট সহ একাধিক স্কুলের জিনিস নিয়ে চম্পট দিতে চায় ওই দুষ্কৃতী দল।

সেই সময় টহলরত পুলিশ ভ্যান হাই স্কুলের সামনের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল৷ তাঁদের নজরে আসে গোটা ঘটনাটি৷ চুরি যাওয়া সামগ্রী নিয়ে স্কুল থেকে বেরিয়ে একটি গলিতে ঢুকে যায় ওই দল৷ কিন্তু পালতে গিয়ে পুলিশের চোখে ধরা পড়ে তারা। ঘটনাস্থল থেকেই গোপালকে গ্রেফতার করে কোতয়ালী থানার পুলিশ৷ উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া সকল সামগ্রী৷

- Advertisement -

আরও পড়ুন: বনধের দিনে ভোরবেলাই শুরু সরকারী চাকুরেদের অফিস টাইম

তবে গোপালের সঙ্গে থাকা সাঙ্গপাঙ্গরা পালিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে বেশ কয়েক জন মিলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। শহরের একের পর এক চুরি ছিনতাই-এর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল আগেই। কখনও ইনস্যুরেন্স কোম্পানির আলমারি ভেঙে টাকা চুরি তো কখনও আবার সন্ধ্যের পর মহিলাদের গলার হার ছিনতাই। পুজোর আগে পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল শহরবাসী।

কিন্তু জলপাইগুড়ি হাই স্কুলের সভাপতি অমিত সাহা বলেন, ‘‘পুলিশকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। পুলিশ জানায় রাতেই তাঁদের স্কুলের চুরি যাওয়া সামগ্রীগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর থানায় এসে সব স্কুলের সামগ্রীগুলি নিয়ে যেতে বলা হয়।’’ এদিকে কোতোয়ালী থানায় আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, ‘‘রাতের পুলিশ টহল দিতে গিয়ে হাই স্কুলের চুরি যাওয়ার ঘটনাটি নজর করে৷ সঙ্গে সঙ্গেই দুষ্কৃতীদের পিছু করা হয়৷ উদ্ধার হয় খোয়া যাওয়া সকল সামগ্রী৷ আমরা স্কুলের হাতে চুরি যাওয়া সব সামগ্রী তুলে দিয়েছি।’’

আরও পড়ুন: রক্তদান অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে কালী মণ্ডপের খুঁটি পুজো

Advertisement ---
-----