স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: এক ফোনেই ভেস্তে গেল পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া। ফলে শুক্রবার দুপুরে জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া মণ্ডল ঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করতে পারল না প্রশাসন।

Advertisement

যদিও বৃহস্পতিবার রাত থেকেই এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে ঘিরে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল চরমে ওঠে বলে অভিযোগ। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায়। পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তার পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে অভিযোগ৷

আরও পড়ুন: পরকীয়ায় লিপ্ত স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী

এরপর শুক্রবার সকাল থেকে চরম উত্তেজনার মধ্যেই শুরু হয় বোর্ড গঠনের কাজ। মণ্ডলঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন ১৬ টি। এর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ৯ টি, সিপিএম ৩ টি, কংগ্রেস ২ টি এবং নির্দল ২ টি আসনে জয়ী হয়।

এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে ঘিরে শাসক বিরোধীরা একজোট হয়। এদিন বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর তৃণমূলের ৯ জন সদস্যের মধ্যে ৬ জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। এদিন জলপাইগুড়ি সদর বিডিও অফিস থেকে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে যান দীপম চক্রবর্তী।

আরও পড়ুন: জাপানি এনসেফেলাইটিসে মৃত আরও এক

অভিযোগ, বোর্ড গঠন শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগেই তার কাছে একটি ফোন আসে। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। অসুস্থ প্রিসাইডিং অফিসারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়।

অভিযোগ, সেই অ্যাম্বুলেন্স ও ফিরিয়ে দেন তৃণমূলীরা। এরপর জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। প্রশ্ন উঠেছে, কী এমন ফোন পেয়ে প্রিসাইডিং অফিসার অসুস্থ হয়ে পড়লেন। কার ফোন এসেছিল? এখনও তা অজানা।

আরও পড়ুন: জুট মিল কর্মী খুনের প্রতিবাদে অবস্থান-বিক্ষোভে পরিবারের সদস্যরা

এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ির সদর মহকুমা শাসক রঞ্জন কুমার দাস জানান, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন এদিন করা সম্ভব হয়নি। প্রিসাইডিং অফিসার অসুস্থ হয়ে পড়লেও ঠিক কী হয়েছিল তা জানতে তিনি খোঁজ নেবেন বলে জানান।

----
--