‘মুর্খরাই শুধু যোগীর নিন্দা করে’

নয়াদিল্লি: কেবলমাত্র মুর্খ মানুষেরাই যোগী আদিত্যনাথের নিন্দা করে। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।

যোগী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে দেশের সব থেকে বড় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের পদে তিনি আসীন হয়েছিলেন। তার আগে টানা পাঁচ বারের জন্য তিনি গোরক্ষপুর কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদ হন।

হিন্দুত্ববাদী হিসেবেই পরিচিত যোগী আদিত্যনাথ। ১৯৯০ সালে রাম মন্দির আন্দোলনের জন্য ঘর ছেড়েছিলেন। সাংসদ হয়ে অনেক জায়গার নাম বদলে করেছেন। পরিবর্তিত নামগুলি আবার হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধীয়। এই নিয়েই বিতর্ক কিছু কম হয়নি। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তার মন্তব্য ঘিরে হয়েছে বিতর্ক। গোরক্ষা আন্দোলন নিয়েও বিভিন্ন সময়ের যোগীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়েছে।

এই ব্যক্তির সঙ্গেই দিল্লিতে দলীয় বৈঠকে দেখা হয়েছিল বঙ্গতনয় জয়ের। বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে যোগীর সঙ্গে সাক্ষাতে বেশ আনন্দিত জয়। বাংলার এই রাজনীতিবিদের কথায়, “যোগী আদিত্যনাথ আমার খুবই প্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তি। তার সঙ্গে আলাপ হওয়ায় খুবই ভালো লেগেছে।”

অভিনেতা থেকে রাজনীতির ময়দানে এসেছেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৪ সালের লকসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন বীরভূম থেকে। ওই জেলা থেকেই ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি লড়াই করেছিলেন। দুই ক্ষেত্রেই তাঁকে পরাস্ত হতে হয়। তবে হাল ছাড়েননি জয়। মাটি কামড়ে পরে থেকেছিলেন। সেই সুবাদেই পৌঁছে গিয়েছেন জাতীয় স্তরে। রাজ্য নেতাদের কাছে তিনি এখন ‘এলিট পলিটিশিয়ান’।

 

রাজনীতির ময়দানে নবাগত এই ব্যক্তিটির সম্পর্কে অবশ্য খোঁজ খবর রাখতেন পোর খাওয়া যোগী। প্রসিদ্ধ গেরুয়া নেতা আদিত্যনাথের বিষয়ে জয় বললেন, “আমি ভাবতেই পারিনি যে যোগী জি আমায় চেনেন। উনি নিজেই এসে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। আমায় অবাক হতে দেখে বলেছেন, ‘অভিনেতাদের সকলেই চেনে’। খুব অবাক হয়েছিলাম।”

জয় আরও জানিয়েছেন যে মানুষের সেবার স্বার্থে অনেক ত্যাগ করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। এখন মুখ্যমন্ত্রী হয়েও খুবই সাধারণ জীবন যাপন করেন। এই ধরণের মানুষকে নিয়ে যারা সমালোচনা করে তাঁরা মুর্খ ছাড়া আর কিছুই নয় বলে দাবি করেছেন জয়। তাঁর মতে, “কেবলমাত্র মুর্খরাই যোগী আদিত্যনাথের নিন্দা করে।”

----
-----