কলকাতা: কর্ণাটকে কংগ্রেসের তিন এমএলএ-কে নিয়ে পালালো বিজেপি৷ এইচ ডি কুমারস্বামীর জোট সরকারকে বিপদে ফেলতে মাঠে নেমে ‘অপরেশন লোটাস’ শুরু করেছে বিজেপি৷ অভিযোগ ওই এমএলএ-দের মহারাষ্ট্রের কোনও গোপন ডেরায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ মোটা টাকার টোপ দেওয়া হচ্ছে ওই এমএলএ-দের৷ শর্ত একটাই, এইচ ডি কুমারস্বামীর জোট ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিতে হবে৷

কুমারস্বামীর সরকারকে ফেলে দিতে যাবতীয় চেষ্টা শুরু করেছে বিজেপি৷ শনিবার বিজেপির জাতীয় পরিষদের বৈঠকে নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, ‘‘জোট সরকারের ভবিতব্য কী নিশ্চই বুঝতে পারছেন৷ কর্ণাটকে নাকি শুনছি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলছেন – আমি ক্লার্ক৷ আমার আর কোনও কাজ নেই৷ ’’ মোদীর ওই ভাষণের মাঝে ছিল একদিন৷ সোমবার সকালেই যেন বোমা ফাটালেন কর্ণাটকের জলসম্পদ মন্ত্রী ডি কে শিবকুমার৷

শিবকুমার অভিযোগ করেন, ‘‘সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে বিজেপি এমএলএ-দের তুলে নিয়ে গিয়েছে মহারাষ্ট্রের মুম্ববইতে একটি হোটেলে৷ সেখানে তাদের সামনে টাকার টোপ সাজিয়ে রাখা হয়েছে৷ কিন্তু আমাদের মুখ্যমন্ত্রী এই সব বিষয়ে বেশ নরম৷ ওকে বলেও কোনও কাজ হয় না৷’’

কর্ণাটকে ‘অপারেশন লোটাস: তিন কংগ্রেস বিধায়ককে নিয়ে বেপাত্তা বিজেপি

কর্ণাটকে ‘অপারেশন লোটাস: তিন কংগ্রেস বিধায়ককে নিয়ে বেপাত্তা বিজেপিবিস্তারিত পড়েতে ক্লিক করুন https://bit.ly/2Cj50ZV

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले सोमवार, १४ जानेवारी, २०१९

কর্ণাটকের বিধানসভায় ২২৫টি আসন রয়েছে৷ সরকার পক্ষে ১২০টি আসন রয়েছে৷ কংগ্রেস ৮০টি আসন নিয়ে রয়েছে৷ জনতা দল সেকুলার ৩৭টি আসন নিয়ে রয়েছে৷ বহুজন সমাজ পার্টি, কর্ণাটক প্রজ্ঞাবন্ত জনতা পার্টি এবং নির্দলের একটি করে আসন রয়েছে৷ অন্যবিকে বিজেপির একাই রয়েছে ১০৪টি আসন৷ একজন আমন্ত্রিত বিধায়ক রয়েছেন৷

তবে এই কাণ্ড প্রথম নয়৷ বিজেপির বি এস ইয়েদূরাপ্পার সরকার বাঁচাতেও এমএলএ কেনার দিকে ঝুঁকেছিল বিজেপি৷ কিন্তু কর্ণাটকে ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন এসেছে৷ কংগ্রেস দাবি করছে, বিজেপি দলত্যাগ বিরোধী আইনের প্যাচে পড়বে৷ কারণ কর্ণাটকের অনেক এমএলএ-কেই টাকা দিয়ে কিনতে চাইছে গেরুয়া শিবির৷ বর্তমানে দেশে ১৬টি রাজ্যে সরকার চালাচ্ছে বা সরকারে রয়েছে বিজেপি৷