বারাকপুর: পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল৷ তবু সোমবার আমডাঙায় ঢুকতেই পারল না বামেরা৷ পুলিশ তাদের আমডাঙায় ঢুকতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ৷ আমডাঙা-কাণ্ডের প্রতিবাদে এদিন মিছিল করে আমডাঙা থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ, সভা ও থানায় স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিল বামেরা৷

সেই মত হাজিরও হন বাম নেতা, কর্মীরা৷ অভিযোগ, থানা থেকে অন্তত তিন কিলোমিটার আগেই বাম নেতা, কর্মী-সমর্থকদের মিছিল ও গাড়ি আটকে দেওয়া হয়৷ সন্তোষপুর মোড়ে আটকানো হয় তাঁদের৷ বামেরা একাধিক দাবিতে এদিন আমডাঙা থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েছিল৷

আরও পড়ুন: সুন্দরিনী দুধ, ঘি, মধু, ডিম বিক্রি করবে মমতা সরকার

বামেদের অভিযোগের তালিকায় ছিল, তৃণমূলের সন্ত্রাস, পুলিশের শাসকদলের হয়ে অবস্থান৷ সঙ্গে দাবি ছিল, অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা বাম কর্মী-সমর্থকদের মুক্তি দিতে হবে৷ কিন্তু আমডাঙা ঢোকার আগেই সিপিএমের মিছিল আটকে দেওয়া হয়৷

এরপরই তন্ময় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ওই মিছিল নেমে আসে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে৷ অন্যদিকে জাতীয় সড়ক থেকে কুড়ি মিটার দূরে সরে এসে মহম্মদ সেলিম, সুভাষ মুখোপাধ্যায়-সহ বিভিন্ন নেতারা ম্যাটাডোরে দাঁড়িয়েই বক্তব্য রাখতে থাকেন৷

আরও পড়ূুন: রহস্যের গন্ধে এখনও চলছে টিনের ফাঁকে উঁকিঝুঁকি উৎসাহী মানুষের

মহম্মদ সেলিম তাঁর বক্তব্যে পুলিশ প্রশাসনকে ভৎর্সনা করে বলেন, বড় বড় পুলিশ অফিসাররা তো কালিঘাটে গিয়ে বেঁচে যাবেন৷ কিন্তু এসআই, কনস্টেবলরা নিজেদের মাথা বাঁচাবেন কী দিয়ে! এরপরই সেলিমের চেতাবনি, বাম কর্মীর মৃত্যুর বিচার না হলে পুলিশের মৃত্যু হলে তারও তখন বিচার হবে না৷

https://youtu.be/hz2wXw1ikFw

----
--