দুই ছাত্রীকে জিতিয়ে এনে চমক দিল শাসক দল

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘বিরোধী শূন্য’ পঞ্চায়েত গড়ার পাশাপাশি দুই ছাত্রীকে জিতিয়ে এনে চমক দিল শাসক দল। বাঁকুড়ার সিমলাপালের মাচাতোড়া গ্রামপঞ্চায়েতে তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মনিকা মণ্ডল ও সুমিত্রা সোরেন৷ দু’জনই ‘মুখ উজ্জ্বল করেছে’ দলের৷

বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে স্নাতকোত্তর মনিকা এখন সিমলাপালের একটি বেসরকারি বিএড কলেজের ছাত্রী৷ বয়স বছর বাইশ৷ তিনি এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে মাচাতোড়া গ্রামপঞ্চায়েতের কড়াকানালী সংসদ থেকে তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়েছেন৷ ৪০৫ ভোটের ব্যবধানে সিপিএমের পারভিন বিবিকে পরাজিত করেছেন এই মনিকা৷

অন্যদিকে, এই পঞ্চায়েতেরই জিরাবাইদ সংসদ থেকে তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত হয়েছেন সুমিত্রা সরেন। তিনি ২৬৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷ স্থানীয় পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্ম্মু মহাবিদ্যালয়ের এই ছাত্রীও ভোটে জিতে এলাকার উন্নয়নে বদ্ধপরিকর৷ সুমিত্রা বলেন, ‘‘রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এলাকার অনেক উন্নতি হয়েছে। তবে পানীয় জল, রাস্তাঘাটের কিছু সমস্যা রয়েছে৷ তা সমাধানে আমি উদ্যোগী হব৷’’

- Advertisement -

অন্যদিকে ভোটে জিতে নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে কলকাতা24×7কে জানান মণিকা৷ বলেন, ‘‘মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই৷ সঙ্গে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই৷ প্রকৃত উপভোক্তাদের বয়ষ্ক ভাতার বিষয়টি দেখার পাশাপাশি কড়াকানালী-মাচাতোড়া রাস্তা সংস্কারেও উদ্যোগ নেব৷’’

এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিমলাপালের মাচাতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের কোনও বিরোধী নেই৷ বিরোধী শূন্য৷ এক সময়ে সিপিএমের শক্ত ঘাঁটি সিমলাপালের এই এলাকায় গত পাঁচ বছর ধরে তৃণমূল ক্ষমতায়৷ উন্নয়নও হয়েছে বলেছেন এলাকার মানুষই৷ আর সেই কারণে মানুষ হাত খুলে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন, বলছে প্রার্থীরা৷ মাচাতোড়া অঞ্চল তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি রবিদাস চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমাদের নতুন মুখের দুই জয়ী প্রার্থীর কাজের ব্যাপারে আমরা আস্থাশীল। এদের হাত ধরে এলাকায় যথেষ্ট উন্নয়ন হবে বলেই আমি মনে করি৷’’

Advertisement ---
---
-----