সেনা আধিকারিকদের ভুঁড়ি, চিন্তিত কর্তৃপক্ষ

নয়াদিল্লি : দেশের পুলিশদের মোটা চেহারা নিয়ে এতদিন অনেক অভিযোগ ছিল। আর সেনা মানেই ফিট চেহারা, এটাই ধারনা ছিল আম জনতার। কিন্তু এবার সেনার চেহারা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।  সেনা আধিকারিকদের দেহে দেখা দিয়েছে চর্বির আধিক্য। তাই এই মেদ মেদ নিয়ন্ত্রণে উঠে পড়ে লাগল সেনা কর্তৃপক্ষ।

- Advertisement -

অফিসারদের ক্রমবর্ধমান দৈহিক ওজন নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন সেনা কর্তৃপক্ষ। উর্দি পরিহিত অবস্থায় কিছু কিছু আধিকারিকের নধর গোছের ভুঁড়ি এমন ভাবে বেড়িয়ে থাকছে, তাতে মনে হচ্ছে ভুঁড়ি চলছে আগে বাকি শরীর আসছে তার পড়ে। এমন উদরাদেশে দেশবাসীর রসিকতার খোরাকও হয়ে উঠেছে অনেকে। এতেই অস্বস্তি আরও বেড়েছে। সমস্যার দ্রুত সমাধানে গত ৮ অগস্ট কড়া নির্দেশ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। তাতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে,মেদ থেকে শারীরিক সমস্যার কথা, বলা হয়েছে  লজ্জাজনক পরিস্থিতির কথাও। অফিসারদের মেদ বাহুল্যে লাগাম টানতে প্রত্যেক সেনা কম্যান্ডকে জরুরি পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কোন অফিসার বা জওয়ানদের  অতিরিক্ত দৈহিক ওজন থাকলেই বার্ষিক মেদবৃদ্ধির মূল্যায়ন করা হবে। এর জন্য প্রতি বছর তাঁদের পরীক্ষা দিতে হবে। মূল্যায়নের ফাইলে দেওয়া হবে তাঁদের বর্তমান ছবিও। সেনা অফিসার ও জওয়ানদের মাত্রাতিরিক্ত দৈহিক ওজন ধরা পড়লে তাঁদের বিরুদ্ধে কিছু শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করার উল্লেখ রয়েছে নির্দেশনামায়। ওজন কমানোর পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে তাঁরা বিদেশে নিয়োগ, দেশের প্রথম সারির কোনও শহরে বদলি বা পুনর্বহালের জন্য বিবেচিত হবেন না। এর ফলে আখেরে তাঁদের কেরিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জানা গিয়েছে, উদ্যোগটি স্বয়ং সেনা প্রধান দলবীর সিংয়ের মস্তিষ্ক প্রসূত, যিনি নাকি প্রতিদিন গড়ে ১০ কিলোমিটার দৌড়ন।

Advertisement ---
-----