নয়াদিল্লি: শিলান্যাস হয়ে গিয়েছে কর্তারপুর করিডরের। এরপরে বন্ধুত্ব মজবুত করতে আরও এক ধাপ এগোল ভারত এবং পাকিস্তান। মন্দির দর্শনের জন্য ২২০ জন তীর্থযাত্রীকে ভিসা দিল পাকিস্তান।

শিব অভত্রী সদগুরু সন্ত সদারাম সাহেব এক হিন্দু অবতার। ১৭০৮ সালে তিনি লাহোরে জন্মগ্রহণ করেন। এই বছরে তাঁর। ৩১০ তম জন্মবার্ষিকী। বহু ভক্ত পারি জমিয়েছেন লাহোরে। যাদের মধ্যে অনেক ভারতীয় রয়েছেন। সেই সকল তীর্থযাত্রিদের পাশে দাঁড়িয়েছে পাক হাই কমিশন।

Advertisement

পাকিস্তানের ঘোটকি জেলার মিরপুর মাথেলো এলাকায় শিব অভত্রী সদগুরু সন্ত সদারাম সাহেবের এক আশ্রম রয়েছে। ১৭৮৬ সালে তা স্থাপিত হয়। সেই সময়ে দেশ ভাগ তো দূরের কথা ইংরেজরাও ভারতে আসেনি। পৃথক পকিস্তান রাষ্ট্র তখন স্বপ্নেরও অতীত। কিন্তু এখন বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। তৎকালীন একই দেশের মাঝে এখন আঁকা হয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক সীমারেখা।

পরিস্থিতি এতটাই প্রতিকূল যে সীমানা পেরিয়ে যাতায়াত করাটাই দস্তুর। সেখানে ধর্মীয় উৎসবে সামিল হতে ভিন দেশে যাওয়া তো প্রশ্নাতীত বিষয়। কারণ ধর্মের ভিত্তিতেই দেশ ভাগ হয়েছিল। কিন্তু সেই বাধা দূর করতে এগিয়ে এসেছে পাকিস্তান। পাক হাই কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “তীর্থযাত্রিদের ভিসা দিয়ে দুই দেশের মধ্যে মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিক করতে চাইছে পাকিস্তান। এটা দুই দেশের সরকারের মধ্যে প্রতিফলিত হবে।”

গত মাসের শেষের দিকে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কর্তারপুর করিডরের শিলান্যাস হয়। যার ফলে ভারতের শিখ সম্প্রদায়ের অধিবাসীরা সহজেই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পাকিস্তানে যেতে পারবেন।

----
--