যুদ্ধবিরতি চুক্তিলঙ্ঘনে ভারতীয় কূটনীতিককে তলব পাকিস্তানের

ইসলামাবাদ: যুদ্ধবিরতি চুক্তিলঙ্ঘনে উত্তপ্ত সীমান্ত৷ মঙ্গলবার কাশ্মীরের সাম্বায় ফের সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে গুলি চালায় পাক রেঞ্জার্স। সারারাত গুলি চালায় পাক সেনা। পাক সেনার গুলিতে শহিদ হন চার বিএসএফ জওয়ান। এদিকে বুধবার অপ্ররোচিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিলঙ্ঘনের জন্য ভারতের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি হাই কমিশনারকে তলব করল পাকিস্তান৷

সূত্রের খবর, গতকাল চিরিকোট সেক্টরে যুদ্ধবিরতি চুক্তিলঙ্ঘনে ত্রোথি গ্রামের এক বাসিন্দা নিহত হওয়ায় ভারতীয় সেনার দিকে আঙুল তোলে পাকিস্তান৷ ২০১৭সাল থেকে ভারত এই ধরনের চুক্তিলঙ্ঘন শুরু করেছে এবং ১৯৭০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তিলঙ্ঘন করেছে বলে দাবি পাকিস্তানের৷ এর পাশাপাশি ফরেন অফিস-এও দাবি করেছে, ভারতের এই পদক্ষেপে আঞ্চলিক শান্তি এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে৷ ২০০৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ভারতের সম্মান জানানোর কথা বলেছে পাকিস্তান৷

পড়ুন: আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল মস্কো

সপ্তাহ খানেক আগেই দুই দেশের ডিজিএমও বৈঠকের মাধ্যমে শান্তির বার্তা দেন। সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি মেনে চলার বার্তা দেওয়া হয় দুই দেশের তরফে। এরপরও গুলি চালাচ্ছে পাক সেনা। বিএসএফের ইন্সপেক্টর জেনারেল রাম অবতার জানিয়েছেন, ‘মঙ্গলবার রাতে পাক রেঞ্জার্স আন্তর্জাতিক সীমারেখায় গুলি চালিয়েছে। অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডান্ট র‍্যাংকের এক অফিসার সহ চার জওয়ানকে আমরা হারিয়েছি। আহত আরও তিনজন।’ এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন কাশ্মীর পুলিশের প্রধান এসপি বেদ।

মঙ্গলবার সকালেও পুলওয়ামায় পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ জঙ্গিদের সঙ্গে গুলিতে শহিদ হয় দুই পুলিশ কর্মী৷ তিন জন আহত হন৷ মঙ্গলবার ভোররাতে গ্রেনেড হামলায় ১০ জন সিআরপিএফ জখম হন৷ তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কয়েকঘণ্টা আগে সোমবার রাতে অনন্তনাগের ভেরিনাগ এলাকার বেকন ক্যাম্পে গ্রেনেড হামলা করে জঙ্গিরা৷ তাতে এক বেকন কর্মী জখম হয়েছেন৷ দুটি ঘটনাতে কোনও জঙ্গি সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি।

Advertisement
---
-----