উপত্যকায় প্রতিবাদীকে পিষে দিল সিআরপিএফের গাড়ি

শ্রীনগর: সংঘর্ষবিরতির জায়গা নিয়েছে জিপ৷ শুক্রবার এই ভাষায় ভারতীয় সেনার সমালোচনা করেছেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা৷ ওই দিন কাশ্মীরে প্রতিবাদীদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেয় সিআরপিএফ গাড়ির চালক৷ তার জেরে তিন জন গুরুতর জখম হয়েছেন৷ একজন মারা গিয়েছে৷ এর পরই নতুন করে অশান্তির আগুন জ্বলে ওঠে কাশ্মীরে৷

ঘটনাটি শ্রীনগরের নৌহাট্টা এলাকার৷ এক প্রবীণ অফিসারকে বাড়িতে নামিয়ে সিআরপিএফের ওই গাড়িটি ফিরছিল৷ পথে বিক্ষোভকারীদের মুখে পড়ে গাড়িটি৷ বিক্ষোভকারীদের বাধা অতিক্রম করে যাওয়ার পথে গাড়িটি তিনজনকে ধাক্কা মারে৷ ওই এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটিকে ঘিরে ধরেছে কিছু বিক্ষোভকারী৷ গাড়ির চালক সেখান থেকে বেরনোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন৷ আরও একটি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটি লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীরা পাথর ও ইট ছুঁড়ে মারছে৷ এর পরই ঘটে দুর্ঘটনাটি৷

ঘটনাটি নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি৷ তাই নিয়ে ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করে জিজ্ঞাসা করেন এই ভাবেই কি প্রতিবাদীদের সঙ্গে আচরণ করা হয়? টুইট করে তিনি বলেন, ‘‘সংঘর্ষবিরতি মানে বন্দুক নয়, কিন্তু জিপের ব্যবহার তো করা যেতেই পারে৷’’ প্রসঙ্গত এর আগে প্রতিবাদীদের আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতে জিপের বনেটে এক ব্যক্তিকে বেধে দেন জওয়ান৷ সেনার এই আচরণের নিন্দার ঝড় ওঠে সব মহলে৷

- Advertisement -

ওমর আবদুল্লা ঘটনার নিন্দা করলেও সেনার এই পদক্ষেপের পক্ষেও অনেকে সমর্থন জানাচ্ছেন৷ তাদের দাবি, একটি ছবি বা ভিডিও দিয়ে গোটা ঘটনার ব্যাখ্যা করা যায় না৷ প্রতিবাদীরা যদি রণংদেহি মেজাজে থাকে তাহলে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতেই তাদের মোকাবিলা করতে হবে৷ ন্যাশনান কনফারেন্স দলের আরও এক নেতা এই ঘটনায় পুলিশি ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন৷ জানান, জিপকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করা হয়েছিল৷ এটা ঠিক৷ কিন্তু পুলিশের তো উচিত ছিল বিক্ষোভস্থলের মধ্যে দিয়ে জিপকে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া৷ সেটা তো করা হয়নি৷

Advertisement ---
---
-----