মুম্বই: ২০১৪-১৬ পর্যন্ত ভারতীয় দলের ডিরেক্টরের পদে ছিলেন রবি শাস্ত্রী৷মাঝে একটা বছর অনিল কুম্বলের দায়িত্বে ছিলেন কোহলিরা৷ফের টিম ইন্ডিয়ায় প্রত্যাবর্তন করলেন শাস্ত্রী৷একেবারে হট সিটেই ফিরলেন তিনি৷কুম্বলের ফেলে যাওয়া জুতোয় পা গলালেন শাস্ত্রী৷টিম ইন্ডিয়ার নতুন কোচ হলেন তিনি৷

সাত বছর পর ভারত-শ্রীলঙ্কা পূর্ণ সিরিজ খেলতে চলেছে৷বুধবার সন্ধ্যাতেই কোহলি অ্যান্ড কোং উড়ে যাবে শ্রীলঙ্কায়৷তিনটি টেস্ট, পাঁচটি ওয়ান-ডে ও একটি টি-২০ খেলবে ভারত-শ্রীলঙ্কা৷তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করলেন ভারতীয় দলের নতুন কোচ৷একেবারে ফুরফুরে মেজাজেই শাস্ত্রী উড়ে যাচ্ছেন দ্বীপরাষ্ট্রে৷ সোজা ব্যাটেই সাংবাদিকদের উত্তর দিলেন প্রাক্তন অলরাউন্ডার৷শাস্ত্রী বলছেন,‘ শেষ তিন বছরে ভারত দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে৷পুরো কৃতিত্ব দলটার৷রবি শাস্ত্রী ও অনিল কুম্বলেরা আসবে যাবে,থেকে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট৷’

শাস্ত্রী কোচ হয়ে এসেই ভরত অরুণকে তাঁর বোলিং কোচ হিসেবে চেয়েছিলেন৷কিন্তু সচিন-সৌরভের অ্যাডভাইজরি কমিটি সেটা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছিল৷কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিরাটদের নতুন হেডস্যারের ইচ্ছাতেই ভরত ভারতে৷টিম ইন্ডিয়ায় ভরতের অবদান নিয়ে শাস্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল৷শাস্ত্রী কিন্তু ভরতের রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়ালেন৷পরিসংখ্যান তুলে শাস্ত্রী বলছেন,‘ ওর ট্র্যাক রেকর্ডটা একবার দেখুন৷১৫ বছর ধরে কোচিং করাচ্ছে ও৷ভারতীয় ‘এ’ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলেও ছিল৷জুনিয়র বিশ্বকাপেও ভরত ছিল৷ও আমার থেকে খেলোয়াড়দের বেশি চেনে৷২০১৫ বিশ্বকাপে আমাদের বোলাররা ৮০টির মধ্যে ৭৭টি উইকেট নিয়েছে৷আমার আর বেশি কিছু বুঝিয়ে বলার দরকার নেই৷সবাই দেখতেই পাবে৷’

দলের অধিনায়ক ও সাপোর্ট স্টাফেদের সঙ্গে সংযোগ কেমন হওয়া উচিত? এই প্রশ্নে দার্শনিকের মতোই উত্তর এল শাস্ত্রীর৷তিনি বলছেন,‘ একজন ক্রিকেটার ও একজন অধিনায়ক হয়ে দু’টো ভাগে এই উত্তরটা দেব৷একজন খেলোয়াড়ের উচিত সাপোর্ট স্টাফের সঙ্গে খুব ভাল যোগাযোগ রাখা৷অধিনায়ক হিসেবে সবাইকেই সেই মানসিকতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে বলব৷’

----
--