#Amritsar: মৃত্যুপুরী অমৃতসরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেহ, ছবি দেখলে শিউরে উঠবেন!

অমৃতসর: দশেরাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা অমৃতসরে৷ পাঠানকোট থেকে অমৃতসরগামী একটি ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারাল বহু মানুষ৷ অমৃতসরের চৌড়া বাজারেক কাছে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যায়৷ শয়ে শয়ে মানুষ যখন রেল লাইনে দাঁড়িয়ে রাবণের পুতুল জ্বালানো উপভোগ করছিল ঠিক সেই সময়েই তাদের ওপর দিয়ে ছুটে যায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেন৷

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিহতের সংখ্যায় হেরফের থাকলেও, জানা যাচ্ছে কমপক্ষে ৬১ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং এই সংখ্যাটা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ এক প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য থেকে অনুমান করা যেতে পারে এই ঘটনার ভয়াবহতা৷ প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতদেহগুলির অবস্থাও খুবই খারাপ ছিল৷ কারও হাত নেই তো, কারও মাথা৷ বাস্তব ছবিটা দেখার মতো সাহসও কারও হচ্ছিল না৷ রইল সেই সমস্ত হৃদয় বিদারক ছবি৷

আরও একজনের মতে, এমন পরিস্থিতির কথা বা ছবি সিনেমাতেই দেখা যায়৷ ১৯৪৭-এর পর অমৃতসরে মৃতদেহের ছড়াছড়ি এই মর্মান্তিক পরিস্থিতি দসেরাতে দেখা গেল৷ যে বা যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী তাদের কড়া শাস্তি হোক, ইতিমধ্যেই এই দাবি জোরালো হচ্ছে৷

প্রশাসনের ভূমিকাতেও উঠছে আঙুল৷ তাঁদের অভিযোগ, ট্রেন আসার সময় বাঁশি বাঁ অন্য কোনও অ্যালার্ম বাজিয়ে সবাইকে সতর্ক করা উচিত ছিল। অথবা ওই বিশেষ জায়গায় ট্রেন ধীরে চালানোর বা থামানোর ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল। তাহলে এই বিপত্তি ঘটত না।

তবে এই দুর্ঘটনার সঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান অশ্বিনী লোহানি। নিজের এই বক্তব্যের স্বপক্ষে আরও একগুচ্ছ যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “ওখানে লেভেল ক্রসিং-এ রেলের দুই জন কর্মী ছিল। দু’ট গেটই বন্ধ ছিল।” একই সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন যে একটি মেইন লাইন দিয়ে ট্রেনটি চলছিল এবং ট্রেনটির গতির কোনও সীমা ছিল না, থাকেও না।

একই সঙ্গে ওই দশেরা অনুষ্ঠানের আয়োজকদেরকেও এই দুর্ঘটনার জন্য কাঠগড়ায় তুলেছেন রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান অশ্বিনী লোহানি। তাঁর মতে, “মেইন লাইনের অদূরে এত বড় অনুষ্ঠানের বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষকে কিছুই জানানো হয়নি।”

----
-----