BIMSTEC: আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সন্ত্রাসবাদ রোখার লক্ষ্যে জোর

কাঠমান্ডু: আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সন্ত্রাসবাদকে রোখার লক্ষ্যই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনে৷ এবারের সম্মেলন এমন এক পর্যায়ে হচ্ছে যখন অন্যতম দুই সদস্য রাষ্ট্র ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন দোরগোড়ায়৷ আবার নেপালের ক্ষমতায় থাকা কমিউনিস্ট ও মাওবাদীদের সঙ্গে চিনের দোস্তি ক্রমাগত অস্বস্তিতে ফেলছে নয়াদিল্লিকে৷ দক্ষিণ এশিয়ায় চিনের আধিপত্য নিয়ে ভারত যতই শঙ্কিত থাক, তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিতে ক্রমাগত বাড়ছে চিনা বিনিয়োগ৷ নেপাল তার অন্যতম উদাহরণ৷

ভারতীয় কূটনীতিকদের অনেকের ধারণা, বিমসটেক (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation) সম্মেলন থেকে নেপালের সঙ্গে দোস্তি বাড়িয়ে নিতে দরাজ হবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ আবার অপর প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গেও তাঁর দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে অনেক আলোচনা হতে চলেছে৷ সম্মেলন চলাকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সঙ্গে বিশেষ কূটনৈতিক বৈঠক করবেন মোদী৷

এছাড়াও সদস্য অন্যান্য রাষ্ট্রগুলি যেমন থাইল্যান্ড, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে পারস্পরিক সখ্যতা বাড়িয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়িয়ে তোলাই লক্ষ্য৷ ভুটানেও জাতীয় নির্বাচন আসন্ন৷ সেখানেও চিনের প্রভাব বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ এমনই পরিস্থিতিতে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলন শুরু হয়েছে নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে৷ সম্মেলন উপলক্ষে পৌঁছে গিয়েছেন সদস্য দেশগুলির প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টরা৷

নেপালের সংবাদ মাধ্যমের খবর, প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী ও প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি অতিথি রাষ্ট্রপ্রধানদের সংবর্ধনা জানিয়েছেন৷ তবে সম্মেলনে আসেননি মায়ানমারের সর্বোচ্চ নেত্রী আউং সান সু কি৷ রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচিত হচ্ছে এই রাষ্ট্র এবং তাদের নেত্রী সি কি৷ মনে করা হচ্ছে, অস্বস্তি এড়াতেই তিনি সম্মেলন থেকে দূরে থাকলেন৷ সু কি-র বদলে এসেছেন মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট৷

----
-----