১৯-এর শুরুতেই রাম মন্দির ইস্যুতে মুখ খুললেন মোদী

ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: বছরের শুরুতেই রাম মন্দির নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিকে যখন রাম মন্দির নিয়ে অর্ডিন্যান্স জারির দাবিতে সরব হয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি, তখন মোদী জানালেন আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হলে রাম মন্দির নিয়ে কোনও অর্ডিন্যান্স জারি হবে না।

মঙ্গলবার সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বছরের প্রথম সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। এবছরেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তাই প্রধানমন্ত্রীর জন্য ২০১৯ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে রাম মন্দির প্রসঙ্গ।

এদিন তিনি আরও জানান, কংগ্রেস বারবার সুপ্রিম কোর্টে বাধা তৈরি করছিল বলেই, আইনি প্রক্রিয়া স্লথ হয়ে গিয়েছে।

শুরু থেকেই বিজেপির জন্য রাম মন্দির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। তাই রাম মন্দির নিয়ে বিজেপি কী ভাবছে, সে ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে মোদী বলেন, ”আমাদে ইস্তেহারেই বলা হয়েছিল, সংবিধান মেনেই রাম মন্দির ইস্যুতে সমাধান খোঁজা হবে।”

রাম মন্দির মামলা এখনও চলছে শীর্ষ আদালতে। আদালত কোনও রায় দেয়নিখ এরই মধ্যে রাম মন্দিরের জন্য বিল আনতে সরকারকে চাপ দিচ্ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। জোট শরিক শিবসেনাও অর্ডিন্যান্সের দাবি জানিয়েছে।

একগুচ্ছ আবেদনের ভিত্তিতে আগামী ৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হবে সুপরিম কোর্টে।

২০১০-এ এলাহবাদ হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল যে বিতর্কিত ওই জমি তি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, নির্মহী আখড়া ও রাম লাল্লার মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে জমি। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরোধিতা করে অন্তত ১৪টি আবেদন জমা পড়েছে।

তিন বিচারপতির বেঞ্চে হবে ওই মামলার শুনানি। থাকবেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগই ও বিচারপতি এসকে কাউল। বিজেপির দাবি, এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট এই ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। নমাজের জন্য মসজিদের প্রয়োজন আছে কিনা, এটি রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের একটি অংশ ছিল। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয় ১৯৯৪ সালে মসজিদের জমি সরকার অধিগ্রহণ করতে পারে বলে যে রায় দেওয়া হয়েছিল, তা পুনর্বিবেচনা করা হবে না। ওই রায়টিই বহাল থাকবে। আদালত ওই সময় জানিয়েছিল, নমাজ পড়ার সঙ্গে মসজিদের সম্পর্ক নেই। তা যে কোনও স্থানে বসেই পড়া যেতে পারে। এই রায় বৃহত্তর বেঞ্চের কাছেও যাবে না বলেও জানিয়ে দেয় আদালত।

---- -----