ঢাকা: জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন হয়েছিল বাংলাদেশে। যা নজর কেড়েছিল সমগ্র বিশ্বের। সেই পথেই এবার সামাজিক আন্দোলনের ডাক দিলেন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সাম্প্রতিককালে মাদক বিরোধিতায় এক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ওই দেশের সরকার। মাদকের কারবারের সঙ্গে জড়িত অনেক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় হাসিনা সরকারকে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ প্রশাসনের সমালোচনা করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

Advertisement

এই অবস্থায় রবিবার মাদক এবং সন্ত্রাস নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এদিন সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারটি উভচর ড্রেজার, মুন্সিগঞ্জ-গজারিয়া ফেরি টার্মিনাল ও সার্ভিস, চারটি কনটেইনার ক্যারিয়ার ভেসেল ও দুটি ইউটিলিটি ফেরির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময়ে তিনি বলেন, “জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আগে এই দেশে সামাজিক আন্দোলন হয়েছিল। আমরা চাই, ঠিক সেভাবেই মাদকের বিরুদ্ধে আরেকটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠুক।” বাংলাদেশের কোনও নাগরিককে জঙ্গি বা মাদকাসক্ত হিসেবে দেখতে তিনি নারাজ বলে জানিয়েছেন মুজিব তনয়া।

দেশের প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ যাতে খুব সুন্দর হয় দেশবাসীর কাছে সেদিকে নজর দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন হাসিনা। তাঁর কথায়, “শিশুরা একটি পরিকল্পিতভাবে নিজেদের গড়ে তুলবে। তারা একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবে এবং এটাই আমাদের লক্ষ্য। এ কারণেই সরকার দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দূর করতে চায় এবং একই সঙ্গে মাদকও নির্মূল করতে চায়। তাই এখানে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন আছে…প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে।”

এই বিষয়ে দেশের সকল অভিভাবক, শিক্ষক ও ইমামদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান ভিত্তিক জাতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার এগিয়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

----
--