ডোমজুড়ে ব্যাংক কর্মী খুনের কিনারা করল পুলিশ

প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: লোনের কিস্তির টাকা দিতে না পেরে ডোমজুড়ের ব্যাংক কর্মী পার্থ চক্রবর্তীকে খুন করেছিল সামসুদ্দিন৷ ঘটনার তদন্তে নেমে সামসুদ্দিনকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ৷ জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে স্বীকার করে নেয় এই খুনের ঘটনায় তার পরিবারও তার সঙ্গে ছিল৷ সামসুদ্দিনের কথার সূত্র ধরেই ডোমজুড় থানার পুলিশ গ্রেফতার করে সামসুদ্দিনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যকেও৷

পার্থ চক্রবর্তীকে খুনের পর গত শুক্রবার গ্রেফতার হয় সামসুদ্দিন। একে একে উদ্ধার হয় খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র সহ পার্থ চক্রবর্তীর খোয়া যাওয়া সব জিনিসপত্র। শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল সামসুদ্দিনের বাবা মনসুর আলিকেও। বুধবার সামসুদ্দিন ও তাঁর বাবাকে নিয়ে খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। পুনর্নির্মাণের সময় পুরো ঘটনায় গোটা পরিবারের যুক্ত থাকার কথা কবুল করে সামসুদ্দিন ও তাঁর বাবা মনসুর আলি। এরপরেই গোটা পরিবারকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ।

পড়ুন: লোনের টাকা চাওয়াতেই ডোমজুড়ে খুন ব্যাংক কর্মী

- Advertisement -

উল্লেখ্য, সামসুদ্দিনের গ্রেফতারের ঘটনার পরেই জনরোষের হাত থেকে রক্ষা করতে সেফ কাস্টডিতে নিয়েছিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার হাওড়া আদালতে পেশ করা হয় সামসুদ্দিনের দাদা শেখ জসিমুদ্দিন, বৌদি রাবেয়া বেগম, স্ত্রী রেজিনা বেগম ও মা জৈবন্নিসা বিবিকে৷ বিচারকের সামনে পরিবারের সকলের গোপন জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করা হয়। তবে ধৃত চারজনকে নিজেদের হেফাজতে নিচ্ছে না পুলিশ।

হাওড়া জেলা পুলিশের দাবি, পার্থ চক্রবর্তী খুনের ঘটনার তদন্তে নিষ্পত্তি করতে পেরেছে তাঁরা। এমনকি পুলিশের কাছে প্রত্যেকে দোষ স্বীকার করেছে। ফলে নতুন করে আর তদন্ত করার প্রয়োজন নেই। ধৃত চারজনের বিরুদ্ধে খুন, ষড়যন্ত্র ও তথ্য প্রমাণ লোপাটের ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদিন ধৃতদের হাওড়া আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নিদেশ দেওয়া হয়।

Advertisement ---
---
-----