প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: ব্যাংক কর্মী খুনের কিনারা করল হাওড়ার ডোমজুড় থানার পুলিশ৷ মাকড়দহের ওই ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত শেখ শামসুদ্দিন৷ উদ্ধার হয়েছে নিহত ব্যাংক কর্মী কাটা মুন্ডু ও দু’টি কাটা হাত৷

আরও পড়ুন: রাস্তা সারাই , মিছিলে ভোগান্তি হতে পারে শহরে

Advertisement

শনিবার তাকে ডোমজুড় আদালতে পেশ করবে পুলিশ৷ তাকে শুক্রবার ডোমজুড়ের কাটালিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়৷ তার পর তাকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করে পুলিশ৷ তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছে শামসুদ্দিন৷ লোনের টাকা চাওয়াতেই এই খুন বলে সে জেরায় পুলিশকে জানিয়েছে৷

আরও পড়ুন: আজ থেকেই শুরু পেপারলেস ব্যাংকিং সিস্টেম

বৃহস্পতিবার ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধার থেকে একটি বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়৷ প্রথমে পরিচয় না জানা গেলেও পরে জানা যায় মৃতের নাম পার্থ চক্রবর্তী৷ বয়স ২৪৷ বাড়ি নদীয়ার চাকদহে৷ তাঁর খণ্ড খণ্ড দেহ উদ্ধার হলেও পুলিশ পার্থর মাথা ও দু’টি হাত পাওয়া যাচ্ছিল না৷

এরই মধ্যে তদন্তের জন্য পাঁচটি দল গড়ে পুলিশ৷ একটি দল ওই ব্যক্তির দেহের বাকি অংশ উদ্ধার করে৷ অন্য একটি দল টানা জেরা করে শেখ সামসুদ্দিনকে৷ সেই জেরাতেই খুনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়৷

আরও পড়ুন: পোষণ প্রকল্পে শিশুদের অপুষ্টি দূর করতে উদ্যোগী প্রশাসন

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে শামসুদ্দিন জানায়, বন্ধন ব্যাংক থেকে সে ২৫ হাজার টাকা ব্যবসার জন্য লোন করেছিল। সে পঞ্চম স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কর্মী ছিল। গত তিন সপ্তাহ যাবৎ সে লোনের টাকা শোধ দিতে পারছিল না। গত বুধবার দুপুরে যখন পার্থ চক্রবর্তী তার কাছে লোনের টাকা চাইতে যায়, তখনই তার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে।

পুলিশকে শামসুদ্দিন জানায়, সে উত্তেজিত হয়েই পার্থকে খুন করে। এরপর প্রমাণ লোপাট করতে দেহ কেটে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন যুক্ত ছিল বলে পুলিশ মনে করছে। এই ঘটনায় শামসুদ্দিনকে নিয়ে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় চিরুনি তল্লাশি করে। এরপর জাতীয় সড়কের ধারে জঙ্গল থেকে কাটা মুন্ডু ও কাটা হাত পুলিশ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন: শৈলেনকে ‘মান্না দা’ তৈরির কারিগর সনাতন স্যার

----
--