জন্মাষ্টমীতে রাশি অনুযায়ী করুন শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা

জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে গত কয়েকদিন ধরে চলছে প্রস্তুতি৷ সুস্বাদু ব্যঞ্জন বানানো থেকে শুরু করে গোপালের পালকি সাজানো, বাড়ি শুদ্ধ লোক মেতে জন্মাষ্টমী পালনে৷ কিন্তু জানেন কি জন্মাষ্টমীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পুজো ও ভোগের প্রসাদ দেওয়ার মধ্যেও রয়েছে এক বিশেষ মাহাত্ম্য৷ এই দিন হিন্দু পঞ্জিকা মেনে শ্রীকৃষ্ণের পুজো করা উচিত৷ তাহলে মনের সব ইচ্ছা পূরণ হয়৷

শাস্ত্রমতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। চন্দ্র বৃষরাশির রোহিনী নক্ষত্রে প্রবেশ করার পরই শুরু হয় জন্মাষ্টমী৷ রোহিনী শ্রীকৃষ্ণের জন্মনক্ষত্র৷ বৃষ তাঁর রাশি৷

- Advertisement -

এই দিন বাড়ি ঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে যতটা সম্ভব ফুল দিয়ে সাজিয়ে তুলুন৷ এরপর তাড়াতাড়ি স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পড়ে গোপালের দোলনা সাজান৷ গোপালকে শুদ্ধ জলে স্নান করান৷ ফের দুধ, দই, ঘি, মধু ও চিনি ইত্যাদি পঞ্চামৃত উপকরণ দিয়ে গোপালকে স্নান করান৷ আবারও শুদ্ধ জলে গোপালকে স্নান করিয়ে দুধ দিয়ে অভিষেক করান৷ তাকে নতুন বস্ত্র পড়ান৷ সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন৷ কেশর বা চন্দনের তিলক পড়ান৷ গোপালকে দোলনায় শুইয়ে দিন৷ রাত ১২টার বাজলে আরতি শুরু করুন আর রাশি অনুযায়ী পুজো করে মনের ইচ্ছা পূরণ করুন৷

জেনে নিন কোন রাশি কীভাবে শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করবেন?

মেষ: লাল বস্ত্র পড়ে কপালে সিঁদুরের তিলক লাগান৷
বৃষ: সাদা বস্ত্র পড়ে কপালে সাদা চন্দনের তিলক লাগান৷
মিথুন: ধুতি বা ঢিলেঢালা জাতীয় বস্ত্র পড়ে কপালে চন্দনের তিলক লাগান৷
ককট: সাদা বস্ত্র পড়ে দুধ দিয়ে তৈরি ভোগ দিন৷
সিংহ: গোলাপি রংয়ের বস্ত্র পড়ে অষ্টগন্ধের তিলক ব্যবহার করুন৷
কন্যা: সবুজ বস্ত্র পড়ে মালপোয়ার ভোগ দিন৷


তুলা: গেরুয়া ব্স্ত্র পড়ে মাখন ও মিস্রির ভোগ দিন৷
বৃশ্চিক: লাল বস্ত্র পড়ুন ও মিল্ক কেক ভোগে দিন৷
ধনু: হলুদ বস্ত্র পড়ুন, হলুদ জাতীয় মিষ্টি যেমন লাড্ডু ভোগে দিন৷
মকর: লাল-হলুদ মিশ্রিত পোশাক পড়ুন ও মিস্রির ভোগ দিন৷
কুম্ভ: নীল বস্ত্র পড়ুন ও বালুশাহী ভোগ দিন৷
মীন: হলুদ বস্ত্র পড়ুন ও কেশর দেওয়া বরফি ভোগ দিন৷

Advertisement
-----