পাটনা: লোকসভা নির্বাচনে জোট ঘিরে ক্রমশ জটিলতা বাড়ছে শাসক এনডিএ-র অন্দরে। আর এই জটিলতা তৈরি হয়েছে বিহারে।

বিহারের জোটের যাত্রাপথ নিয়ে জটিলতা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। শেষ হয়েও যেন শেষ হচ্ছে না জোট নিয়ে সমঝোতা। দুই পক্ষেওই নিজের অবস্থানে অনড় থাকতে চাইছে। আর এতেই বাড়ছে জটিলতা।

আরও পড়ুন- বাড়িতে বসেই মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে বিয়ের শংসাপত্র: মুখ্যমন্ত্রী

সূত্রের খবর, বিহারে জল মেপে এগোতে চাইছে বিজেপি। যে সকল জায়গায় এনডিএ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। সেই আসনেই প্রার্থী দিতে চাই পদ্ম শিবির। কিন্তু আসন ভাগাভাগির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন জতা দল ইউনাঈটেদের নেতা নীতিশ কুমার। জেডিইউ দলের পক্ষ থেকে সাফ প্রথম থেকেই বিষয়টি পরষ্কার করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন- শাসকের চাপ বাড়িয়ে সীমান্ত এলাকায় বাড়ছে বিজেপি

এরই মাঝে প্রকাশ্যে আসে বিহারে এনডিএ শরিকদের আসন সমঝোতার চিত্র। যেখানে বলা হয় মোট ৪০ আসনের মধ্যে বিজেপি লড়বে ২০টি আসনে। জেডিইউ ১২টি আসনে প্রার্থী দেবে। ছ্যটি আসনে লড়বে রাম বিলাস পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি। উপেন্দ্র কুশওয়ার রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টি দু’টি আসনে প্রার্থী দেবে। ২০১৪ সালে যে ছ্যটি আসনে লোক জনশক্তি পার্টি জিতেছিল সেই আসনগুলি তাদের জন ্যছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

বিজেপি ২০ আসনে প্রার্থী দেবে আর জেডিইউ দেবে ১২টি আসনে। এই তত্ত্ব মানতে নারাজ নীতিশের দল। দলের পক্ষ থেকে কেসি ত্যাগি বলেছেন, “আসন সমঝোতার এই চিত্র আমাদের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “এনডিএ শরিকদের মধ্যে এখনও আলোচনা চলছে। তাহলে আসন সমঝোতার এই ছবি বিজেপি প্রকাশ করে কী করে?”

২০১৪ সালের মোদী হাওয়া এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন কেসি ত্যাগি। এই বিষয়ে ত্যাগির যুক্তি, “উত্তর প্রদেশ এবং বিহারে উপনির্বাচনে জেতা আসন হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির। কর্ণাটকে সরকার গঠন করতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে।” এই অবস্থায় বিহারে নীতিশ কুমারের উপরেই বিজেপির আস্থা রাখা উচিত বলে দাবি করেছেন ত্যাগি।

----
--