NRC: মুখ্যমন্ত্রীর সংকেত পেলেই অসমে যাবেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা

ফাইল ছবি

কলকাতা: এনআরসির চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশের পরেই প্রবল ক্ষোভ দেখিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রতিবেশী রাজ্যে পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ ও বিধায়কদের৷ সেই প্রতিনিধি দলকে শিলচর বিমানবন্দর থেকেই ফেরত পাঠায় অসম সরকার৷ এর জেরে দুই রাজ্যের সরকারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা চলছেই৷ এমনই পরিস্থিতিতে বাংলার বুদ্ধিজীবীদের একাংশ অসম যেতে চান বলেই জানালেন৷

কলকাতা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এনআরসি বিরোধী প্রতিবাদ সভা ‘আসামের পাশে বাংলা’ থেকেই তাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন৷ আলোচনায় দর্শকদের তরফে প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে বুদ্ধিজীবীরা জানিয়েছেন, অসমে গিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যাচ্ছেন তাঁরা৷ তবে কবে নাগাদ যাচ্ছেন তা জানানো হয়নি৷

আরও পড়ুন: ‘মুসলমান খেদানো শুনেছিলাম! এবার হিন্দুদেরও খেদানো হচ্ছে’

শিলচর বিমান বন্দরেই আটকে দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে৷ অসম পুলিশ ও বাংলার সাংসদ-বিধায়কদের সেই ধস্তাধস্তির জেরে বিতর্ক তীব্র আকার নিয়েছে৷ অসমে দায়ের করা হয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর৷ অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে দায়ের করা হয়েছে অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়ালের বিরুদ্ধে এফআইআর৷ এর জেরে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিক বিতর্ক চরমে উঠেছে৷

বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, ক্ষমতায় এলে এই রাজ্যেও জারি করা হবে এনআরসি৷ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হবে৷ তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের অভিযোগ, এনআরসি জারি করে বাঙালি বিদ্বেষী নীতি ছড়াচ্ছে বিজেপি৷ অনুষ্ঠানে সাহিত্যিক আবুল বাশার বলেন, “এতদিন শুনছিলাম মুসলমান খেদানো হবে৷ এখন দেখছি একে একে বাঙালি হিন্দুদেরও তাড়ানো হচ্ছে৷ আমরা যাব কোথায়?”

Advertisement
----
-----