স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: ফের চিকিৎসার গাফিলতিতে সদ্যজাত শিশুর মৃত্যু অভিযোগ উঠল৷ এবারের অভিযোগ জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের মাদার চাইল্ড হাবের বিরুদ্ধে৷ ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল হাসপাতাল চত্ত্বরে৷

জানা গিয়েছে, ধূপগুড়ির ব্লকের টাংরামারির বাসিন্দা চুমকি বেগমের ডেলিভারির তারিখ ছিল ২৮ অগাস্ট। সেই মত ২৬ অগাস্ট তাঁকে জলপাইগুড়ি মাদার হাবে ভরতি করানো হয়। কিন্তু ২৭ অগাস্ট তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ধর্ষণের বিচার নেই, মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চান পরিবার

তাঁর পরিবারের অভিযোগ, সোমবার রাতে তাঁর ফের প্রসব বেদনা ওঠে৷ তাঁকে এদিন ভোর রাতে ফের মাদার হাবে ভরতি করানো হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের জানানো হয় চুমকি মৃত সন্তান প্রসব করেছে। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তোলে৷

কর্তব্যরত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে হাসপাতালে চত্বরে। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতাল কোতোয়ালী থানায় পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে৷

আরও পড়ুন: বন্দি অপহরণের ছক বানচাল, পুলিশের জালে কুখ্যাত ৯ দুষ্কৃতী

পাশাপাশি এই ঘটনায় অন্যান্য রোগীর পরিবারও ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷ তাদেরও একই অভিযোগ হাসপাতালের পরিষেবা ঠিক নয়। এই ঘটনার পর হাসপাতালে ভরতি বাকি গর্ভবতী মহিলাদের তাঁদের পরিবার অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন৷

চুমকি বেগমের মা তাহেলা বিবির অভিযোগ, আমার মেয়ের বাচ্চা ঠিকই ছিল। নরা চরাও করছিল। কিন্তু ভুল চিকিৎসার জন্য বাচ্চাটি মারা যায়। অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এই বিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

আরও পড়ুন: গাড়ি ভুলে যান! শহরে বাইক পরিষেবা আনছে UBER

এদিকে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘বাচ্চা মারা গেলে চিকিৎসককেই দায়ী করেন রোগীর পরিবার৷ কিন্তু এই ধরণের অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমরা সঠিক চিকিৎসা করে থাকি৷ এরপরেও বাচ্চা মারা গেলে সেটার কারণ চিকিৎসার গাফিলতি নয়। রোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত টিম তৈরি করে তদন্ত করা হবে।’

আরও পড়ুন: বিশেষ প্রজাতির ছত্রাকের দেখা মিলল বাঁকুড়ায়

----
--