সরকারি কোষাগারের আয় বাড়াতে নয়া উদ্যোগ রাজ্যের

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন অনুষ্ঠানেই বলে থাকেন সরকারি কোষাগারের অবস্থা শোচনীয়৷ কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে খরচ সামাল দিতে হচ্ছে রাজ্যকে৷ সম্প্রতি ব্যায়ে রাশ টানতে তাই বাড়তি বিভিন্ন খরচ বন্ধের বিরুদ্ধেও সাওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এমনকি সরকারি অফিসগুলিতে বিনা কারণে এসি চালাতেও নিষেধ করে দিয়েছেন৷ সেই ভগ্নপ্রায় কোষাগারের অবস্থা ফেরাতে এবার নতুন উদ্যোগ সরকারের৷ জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের ‘প্রাণধারাকে’ এবার ব্যবসায়িক ভিত্তিতে বিক্রি করার জন্য টেন্ডার ডাকা হচ্ছে৷ দফতর সূত্রে জানা গেছে, শীঘ্রই এর জন্য টেন্ডার ডাকা হবে৷

রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর এই প্যাকেটজাত পানীয় জল তৈরি করে৷ বছর দুয়েক আগে এই পানীয় জল বানিজ্যিকভাবে বাজারে আনে তারা৷ এতদিন সমস্ত সরাকারি অনুষ্ঠানে এই ‘প্রাণধারা’ জল বিনা মূল্যে দেওয়া হত সরকারের তরফে৷ এবার খোলা বাজারের যাতে এই ‘প্রাণধার’ বিক্রি করা যায় সেই চেষ্ঠাই শুরু করছে দফতর৷ কিন্তু সেসময় বেসরকারি এজেন্টদের সঙ্গে বানিজ্যিক জটিলতার কারণে সেই প্রচেষ্ঠা আর এগোয়নি৷ বর্তমানে নতুন করে এই উদ্যোগ নিতে চলেছে সরকার৷

ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি বেসরকির সংস্থার কাছ থেকে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে৷ এই ‘প্রাণধারার’ ১ লিটারের দাম পড়বে ২০ টাকা৷ ৫০০ এম.এল জলের দাম ১০ টাকা৷ তবে নূন্যতম ৫০০ এম.এল জল নিতেই হবে৷ জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর সূত্রে খবর, ‘প্রাণধারার’ বিক্রি বাড়লে সরকারের ঘরে বেশ কিছু পরিমাণ অর্থ আসবে৷ এতে আখেরে লাভ হবে সরকারেরই৷

যদিও দফতরের মন্ত্রীর কথায় কিন্তু একটি অন্য উদ্দেশ্য ধরা পড়েছে৷ সরকারের মোট ১২ টি জলের প্ল্যান্ট রয়েছে৷ সেই প্ল্যান্টগুলিকে চালানোর জন্য মূলত এই প্রাণধারাকে নতুন করে বাজারজাত করার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে৷ পাশাপাশি বাজারের থেকে কম দামে মানুষের কাছে যাতে পরিশ্রুত জল পৌঁছে দেওয়া যায় সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে জনস্বাস্থ্য কারগরি দফতর৷

----
-----