খো খো কিংবা লুকোচুরি! প্রত্যেক স্কুলে খেলতেই হবে এক ঘণ্টা

চণ্ডীগড় : ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে সামনে আনতে হবে৷ সেই লক্ষ্যেই সমাজের পুরনো সব খেলাগুলিকে স্কুলশিক্ষার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার৷ এর মধ্যে থাকছে খো-খো, উচ-নীচ, চিড়ি উড়ের মতো খেলা৷

পঞ্জাব সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রতিদিন ছাত্র ছাত্রীদের জন্য একটি করে খেলাধূলার ক্লাস রাখা বাধ্যতামূলক৷ প্রতি পড়ুয়াকে কোনও একটা খেলায় অংশ নিতেই হবে বলে জানানো হয়েছে৷ জেলা শিক্ষা দফতরগুলিতে এই নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য শিক্ষা দফতর৷

সাপ সিড়ি, দড়ি টানাটানি, লুকোচুরি, চামচ দৌড়, লাট্টু, খো খোর মত খেলা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই খেলাগুলি নানা নামে পরিচিত৷ তবে খেলার ধরণ একই৷ সেই খেলাগুলিই স্কুলে শুরু হলে পড়ুয়াদের মধ্যে পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করছে শিক্ষা দফতর৷

- Advertisement -

তবে মোবাইল ও কম্পিউটারের যুগে এই ধরণের খেলা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে বলে উদ্বিগ্ন শিক্ষা দফতর৷ ছাত্র ছাত্রীদের বিভিন্ন শারীরিক কসরত শেখানোর বদলে এই ধরণের খেলাগুলি চালু করলে সমাজের ঐতিহ্যও বজায় থাকবে আবার খেলাধুলার প্রতি ঝোঁকও বাড়বে পড়ুয়াদের বলে মনে করা হচ্ছে শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে৷

পড়ো পাঞ্জাব, পড়াও পাঞ্জাব নামে একটি ক্যাম্পেন চালু করেছে শিক্ষা দফতর৷ এই ক্যাম্পেনের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে খেলাগুলিকে৷ প্রতিটি সরকারি স্কুলে চালু করা হবে ক্যাম্পেনটি৷ ক্যাম্পেনের আহ্বায়ক জানান খেলাগুলি প্রতিযোগিতামূলক নয়৷ ফলে পড়ুয়াদের মনে নির্মল পরিবেশে খেলার আনন্দ বাড়বে৷ এছাড়াও শিশুদের দক্ষতা, গতি ও কর্মক্ষমতা বাড়বে বলে মনে করছেন তিনি৷
জুন মাস থেকেই এই ক্যাম্পেনগুলি চালু করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য শিক্ষা দফতর৷ এই প্রকল্পে প্রতি পড়ুয়াকে একটি করে খেলায় অংশ নিতেই হবে৷ স্কুলকে সেই বিষয়টিতে নজরদারি চালাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

Advertisement ---
---
-----