এবার তেলুগু ভাষায় ‘পিউপা’

স্টাফ রিপোর্টার কলকাতা : ভরা প্রেক্ষাগৃহে প্রজেক্টেরের বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে সেন্সরের চোখ রাঙানি সব কিছুই সহ্য করতে হয়েছিল ‘পিউপা’র টিম কে। তবে হাল ছাড়েননি পরিচালক ইন্দ্রাশিস আচার্য। কথায় আছে না, শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। অবশেষে লড়াইয়ে জয় হল পরিচালকের। সব বাধা কাটিয়ে মুক্তি পেয়েছিল ‘পিউপা’। মুক্তির দিনই হয়েছিল প্রথম জয়। সূত্রের খবর,এবার ছবিটি ডাব হতে চলেছে তেলুগু ভাষায়।

ইন্দ্রাশিস আচার্যর কথায় ‘ভাষা নিয়ে সব সময়ই একটা দূরত্ব তৈরি হয়। তাই বিভিন্ন ভাষায় যদি বাংলা ছবিকে ডাব করান যায় তাহলে বহু লোক ছবি দেখতে পাবে।’

ফিল্ম ফেস্টে চারটি বাংলা ছবির মধ্যে ‘পিউপা’ ছিল একটি। তবে ফিল্ম ফেস্টে হয়েছিল চরম মিস ম্যানেজমেন্ট।ছবি চলতে চলতেই বন্ধ হয়ে যায়। তারপর বহু চেষ্টার পর আবার তা চালু হলেও একই সমস্যায় পরে। তবে সব কিছুর পরও বড় পর্দায় ‘পিউপা’ চালু হতে দেখে খুশি পরিচালক।

- Advertisement -

 

আরও পড়ুন: আট মাস আগে হয়েছিলেন যৌনহেনস্থার শিকার, আজ পড়ল চার্জশিট জমা

প্রসঙ্গত, “পিউপা থেকে প্রজাপতি হয়ে ওঠার গল্প ‘পিউপা’। বন্ধ জীবনকে স্বাধীনতা দেওয়ার গল্প ‘পিউপা’…” এছবি সম্পর্কে এর থেকে বেশি বলতে নারাজ কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “ ‘পিউপা’ সংগ্রহ করে রাখার মতো সিনেমা। বর্তমানে এছবি কত টাকা ব্যবসা করল। সেই নিরিখে ‘পিউপা’কে বিচার করা যাবে না।”

একদিকে সুন্দর ভবিষ্যতের হাতছানি। অন্যদিকে শিকড়ের প্রতি দায়বদ্ধতা। এই দু’য়ের মাঝে তৈরি এছবির কাহিনি। যেখানে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে দেশে ফেরে ছেলে কাজ সেরে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার সময়ই হঠাৎ বাবার সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়। চিকিৎসক জানিয়ে দেন, বাবার হাতে আয়ু মেরে কেটে ১০ থেকে ১৫ দিন। আটকে পড়ে ছেলে। কিন্তু ১০-১৫ দিন পরেও বাবা বেঁচে থাকেন। আর এই বেঁচে থাকাটাই তখন সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়! সে না পারে বাবাকে ফেলে রেখে চলে যেতে। না পারে কেরিয়ারকে উপেক্ষা করতে। সব মিলিয়ে পিউপার মতো সম্পর্কের খোলসে বাঁধা পড়ে সে। আসলে ছোট করে বলতে গেলে ‘পিউপা’ বাবা-ছেলের মুক্তির গল্প।

গত ১৯শে জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘পিউপা’। কিন্তু সেন্সরের গেঁড়োয় আটকে যায় ছবির মুক্তি। আসলে এই ছবিতে রয়েছে একটি খুনের দৃশ্য। যা নিয়ে আপত্তি তুলেছিলন সেন্সর কর্তারা। সাফ জানিয়েছিলেন, পালটাতে হবে খুনের পদ্ধতি। তবে মিলবে ছাত্রপত্র। এখানেই বাঁধে গেঁড়ো। স্বাধীনচেতা পরিচালক সেন্সরের কথা শুনতে নারাজ। সিবিএফসি-র মুম্বই বিভাগে পাঠানো হয় ছবি। সেখানে ছবিটি দেখেন সেন্সরের অন্যতম সদস্য বিদ্যা বালান।

আরও পড়ুন: শাহরুখ থেকে প্রভাস, সকলে মজে দেবের ‘হইচই’ দুনিয়ায়

পরিচালক ইন্দ্রাশিস আচার্য বলেন, “সিনেমাটি ভীষণ পছন্দ হয়েছে বিদ্যাজীর। কোনও দৃশ্য বাদ না দিয়েই ছবিকে শংসাপত্র দেওয়ার কথা বলে তিনি। তিনি জানান, ‘এ ছবিতে বাদ দেওয়ার মতো কোনও দৃশ্যই নেই। কেবল ছবি শুরুর আগে একটি ডিসক্লেমার দিয়ে দিলেই হবে’।”

Advertisement ---
---
-----