রানির শরীরে বইছে স্বয়ং হজরত মহম্মদের রক্ত

লন্ডন: ঐতিহ্যশালী ব্রিটেনের রাজ পরিবারের সঙ্গে যোগ রয়েছে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তকের। কারণ রানি এলিজাবেথ হচ্ছেন স্বয়ং হজরত মহম্মদের বংশধর।

এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিককালের একটি গবেষণায়। উক্ত গবেষণার কথা উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন করেছে মরক্কোর একটি সংবাদপত্র।

যদিও রানি এলিজাবেথের সঙ্গে হজরত মহম্মদের পারিবারিক যোগসাজশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ১৯৮৬ সালে এই তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল ডেইলি মেল পত্রিকায়। সেই সময় ব্রিটেনের রাজ পরিবারের বংশতালিকার উল্লেখ করা হয়েছিল।

- Advertisement -

সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে যে রানি এলিজাবেথের সরাসরি রক্তের সম্পর্ক রয়েছে মধ্যযুগের স্পেনের মুসলিম সম্প্রদায়ের। যারা আসলে কেমব্রিজের বাসিন্দা ছিল। সেখানে ফতিমা নামের এক মহিলার গর্ভজাত সন্তানের থেকেই সূত্রপাত হয় রানি এলিজাবেথের বংশের। সেই ফতিমা হচ্ছেন হজরত মহম্মদের নিজের মেয়ে।

গবেষণায় আরও জানা গিয়েছে যে রানি এলিজাবেথের পূর্ববর্তী ৪৩ তম প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে ফতিমার। যিনি হজরত মহম্মদের কন্যা। অনেক ইতিহাসবিদ এই তত্ত্ব খারিজ করে দিলেও স্পেনের মধ্যযুগীয় রেকর্ড অবশ্য মান্যতা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, একসময় ইজিপ্টের গ্র্যান্ড মুফতি আলি গোম্মাও সম্মত হয়েছিলেন মরক্কোর সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের তথ্যে।

আরও পড়ুন- নবাব সিরাজের বংশধর উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

১৯৮৬ সালে এই তথ্য উল্লেখ করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারকে। সেই চিঠি লিখেছিল বুর্ক পাবলিশিং নামক একটি সংস্থা। যারা রাজ পরিবারের বংশতালিকা দেখাশোনা করত। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিল যে ব্রিটেনবাসীর এটা জানা দরকার যে দেশের রানির শরীরে বইছে স্বয়ং হজরত মহম্মদের রক্ত। সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসায় খুব খুশি হয়েছিলেন ওই দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

যদিও পূর্ববর্তী তথ্য একটু অন্যরকম। সেখানে বলা হয়েছিল যে রাজকন্যা জায়দার বংশধর হচ্ছেন রানি এলিজাবেথ। জায়দা আবার সেভিল-এর এক মুসলিম রাজার চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। অনেকের মতে এই জায়দা হলেন সরাসরি হজরত মহম্মদের মেয়ে। একাদশ শতকে তিনি কেমব্রিজে আসেন এবং খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন।

Advertisement
---