প্রদেশ কংগ্রেসের তরুণ তুর্কিদের উপরই আস্থা রাখছেন রাহুল

গুয়াহাটি: পুরনো নয়৷ নতুন মুখ চাই৷ তাই প্রদেশ কংগ্রেসে শুরু হয়েছে নতুন মুখ খোঁজার পালা৷ আর এই নতুন মুখগুলি অবশ্যই বয়সে তরুণ হবে৷ কারণ, তরুণ তুর্কিদের নিয়েই গোটা দেশে কামব্যাক করতে মরিয়া কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী৷

সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যে ঘোষণা হয়েছে বিধানসভার নির্বাচন৷ যে পাঁচ রাজ্যে ভোট হবে, তার মধ্যে একমাত্র মিজোরামেই কংগ্রেস ক্ষমতায় রয়েছে৷ সেখানেই আবার প্রার্থী বাছাইয়ে তরুণ নেতাদের গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের তরফে৷

আরও পড়ুন: দারভিটে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা

- Advertisement -

মিজোরাম বিধানসভার ভোট আগামী ২৮ নভেম্বর৷ সেখানে আসন সংখ্যা ৪০৷ ওই ৪০ আসনের মধ্যে ১০ থেকে ১২টি আসনে নতুন ও তরুণদের সুযোগ দিতে চাইছে রাহুল গান্ধীর দল৷ সূত্রের খবর, হাইকমান্ডের তরফে তেমনই নির্দেশ এসেছে৷

এর জন্য মিজোরামে কংগ্রেসের তরফে একটি মনোনয়ন কমিটিও তৈরি করা হয়েছে৷ ইতিমধ্যে কমিটির তরফে একটি বৈঠক হয়ে গিয়েছে৷ পরবর্তী বৈঠকেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর৷

আরও পড়ুন: ফের স্কুলে শ্লীলতাহানি, এবার পূর্ব মেদিনীপুর

মিজোরামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক ভুপেন বোরার বক্তব্য, এবার ৭০ শতাংশ বিধায়ক টিকিট পাবেন৷ ৩০ শতাংশ বাদ পড়বেন৷ সেই জায়গায় নতুন ও তরুণদের সুযোগ দিতে চায় দল৷

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কেন এমন একটা সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে? উত্তরে রাজনৈতিক মহল দু’টো কারণে বলছে৷ প্রথমত, মিজোরাম বিধানসভায় কংগ্রেসের ১০ জন বিধায়কের বয়স সত্তর কোটায়৷ মুখ্যমন্ত্রী লাল থানওয়ালার বয়স ৭৬৷ ৬০-৭০-এর মধ্যেও দশজন বিধায়ক রয়েছেন৷ এবারও তাঁদের সকলকে টিকিট দিলে পরবর্তী সরকার কার্যত ‘বুড়ো’দের হয়ে যাবে৷

আরও পড়ুন: তিতলির প্রভাবে দিঘায় বাড়ছে আতঙ্ক

দ্বিতীয় কারণটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক৷ মিজোরামে পরপর দু’বার ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস৷ ফলে এবার ভোটে তাদের প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে৷ তাই বর্তমান বিধায়কদের ৩০ শতাংশকে বাদ দিয়ে নতুন মুখ আনলে সেই হাওয়ার সঙ্গে লড়াই করা কিছুটা হলেও সহজ হবে৷

আরও পড়ুন: বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানে অংশগ্রহণে বাড়ছে আগ্রহ

Advertisement
----
-----