জরিমানা দেওয়ার টাকাও নেই রাম রহিমের

চন্ডীগড়: ২৫শে অগষ্টের আগে অবধি তার জীবনযাত্রা ছিল অন্যরকম৷ থাকতেন বিলাসবহুল ঘরে (পড়ুন গুহা)৷ চড়তেন দামি গাড়ি৷ বিদেশ থেকে তার জন্য আনানো হতো ‘স্পেশাল’ পানীয় জল৷ মাখতেন নামী সংস্থার প্রসাধনী৷ সুন্দরী সাধ্বীদের ঘেরাটোপে কাটত রাত৷

কিন্তু সে সব এখন অতীত৷ বর্তমানে রোহতকের সুনারিয়ার কুঠুরিতে কাটছে বিনিদ্র রাত৷ জেলে তাকে করতে হচ্ছে চাষাবাস৷ মাত্র ৪০ দিনে ছ’কেজি ওজন কমে গিয়েছে রাম রহিমের৷ সময় এতটাই খারাপ যে এক সময়ের কোটিপতি বাবা রাম রহিমের কাছে জরিমানা দেওয়ার টাকাও নেই৷ সোমবার পরিস্কার তা আদালতে জানিয়ে দিলেন ধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত বাবার আইনজীবী৷

আশ্রমের দুই সাধ্বীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০ বছরের জেল হয়েছে ডেরা সচ্চা সৌদা প্রধান রাম রহিমের৷ সেই সঙ্গে আদালত তার ৩০ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য করে৷ সেই টাকা সাজার সময়সীমার দু’মাসের মধ্যে ব্যাঙ্কে জমা করার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআই আদালত৷ সোমবার রাম রহিমের আইনজীবী এস কে গর্গ নারওয়ানা পাজ্ঞাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে জানিয়ে দেন যে তিনি জরিমানার টাকা দিতে পারবেন না৷

- Advertisement -

সিবিআই আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গত ২৫শে সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেছেন রাম রহিম৷ বিচারপতি সূর্য কান্তি ও বিচারপতি সুধীর মিত্তলের ডিভিশন বেঞ্চে চলে শুনানি৷ আদালতে তার আইনজীবী বলেন, ডেরার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে তদন্তকারী সংস্থা৷ তাই এই মুহুর্তে তিনি জরিমানার টাকা দিতে পারবেন না৷

অপরদিকে আদালতে আরোও একটি রিভিশন পিটিশন দায়ের করেছেন দুই ধর্ষিতা৷ রাম রহিমের সাজা আরও বাড়ানোর জন্য এই পিটিশন তারা দায়ের করেছেন৷ এমনটাই জানান তাদের আইনজীবী নভকিরণ সিং৷ এই দুটি পিটিশনই একসঙ্গে শোনা হবে৷