এক ঝলকে রিয়েল এস্টেট বিল

নয়াদিল্লি: রাজ্যসভায় রিয়েল এস্টেট বিল পাশ হয়ে গেল৷ আগেই লোকসভায় এই বিলপাশ হয়েছে৷  এতদিন এই আবাসন ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র নির্মাণ ক্ষেত্রের জন্য কোনও নিয়ামক সংস্থা ছিল না৷ এবার সংসদের দুই কক্ষে এই আইন পাশের ফলে এই ক্ষেত্রে একটি পৃথক নিয়ামক সংস্থার অধীনে চলে আসছে ৷ এরফলে ‘রিয়েল এস্টেট ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা এবং গ্রাহকদের ভরসা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী এম বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন৷ নতুন আইনে বিল্ডার -প্রমোটারদের পায়ে যেমন বেড়ি পড়ল , তেমনই তাঁদের স্বার্থ সুরক্ষিত হওয়ায় ক্রেতারাও এখন আবাসন কেনার ক্ষেত্রে অনেকটাই নিশ্চিন্ত বোধ করবেন৷ তাছাড়া নতুন আইনের আওতায় রাজ্য স্তরেও ‘রিয়েল এস্টেট রেগুলেটর ’ তৈরি হবে৷ এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই বিলের বিভিন্ন দিকগুলি৷

  • ফ্ল্যাটের কার্পেট এরিয়া উপর দাম ধার্য করতে হবে নির্মাতাদের৷ অর্থাৎ যতটা জায়গা ঝুড়ে থাকবেন তারই ভিত্তিতে দাম হবে৷ যদিও এখন সুপারবিল্ড এরিয়ার ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করা হয় এবং কার্পেট এরিয়ার চেয়ে ২৫-৩০ শতাংশ বেশি জায়গার দাম ধরে সুপারবিল্ড এরিয়া ধরা হয়৷
  • গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের ৭০ শতাংশ পৃথক একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতে হবে নির্মাতাকে ৷ জমির দাম এবং নির্মাণের খরচ জোগাতে হবে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে৷
  • সমস্ত ডেভলপার এবং রিয়েল এস্টেট এজেন্টদের নথিভুক্ত হতে হবে৷ সময় মতো প্রকল্পের কাজ শেষ না জরিমানা দিতে হবে৷
  • আবাসন প্রকল্পের নকশা, অনুমোদন, জমির তথ্য, নির্মাণের সময়কাল ইত্যাদি জানাতে হবে নিয়ামক সংস্থাকে৷ সময়মতো কাজ শেষ না করতে পারলে জরিমানাও দিতে হবে সংশ্লিষ্ট নির্মাণ সংস্থাকে৷
  • আবাসন নির্মাণের পাঁচ বছরের মধ্যে কোনও পরিকাঠামোগত ত্রুটি ধরা পড়লে দায় নির্মাণ সংস্থার৷ তা লঙ্ঘণে তিন বছরেরও জেল হতে পারে৷
  • গ্রাহকদের হাতে ফ্ল্যাটের চাবি তুলে দেওয়ার তিনমাসের মধ্যে আবাসিক ওয়েলফেয়ার কমিটি গড়ে দিতে হবে ডেভলপারকে৷
  • ৬৬ শতাংশ ক্রেতার অনুমতি ছাড়া ব্লিডিং সংস্থা প্ল্যান পরিবতন করা যাবে না৷ ১০শতাংশের বেশি পরিবর্তন করা যাবে না ৷ তা করলে জরিমান দিতে হবে নির্মাতাকে৷
Advertisement ---
---
-----