মিউনিখ: শেষ ১১টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচে গোল করে মিউনিখে পা দিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো৷ তবে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে পর পর এক ডজন ম্যাচে গোল করা হল না তাঁর৷ যদিও ম্যাচের ফলাফলে বিন্দু মাত্র প্রভাব ফেলেনি রোনাল্ডোর গোল না পাওয়া৷ দলের সেরা তারকা বিপক্ষের জালে বল জড়াতে না পারলেও বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের জয় আটকায়নি৷ এক গোলে পিছিয়ে পড়েও জার্মান জায়ান্টদের শেষমেশ ২-১ গোলে পরাস্ত করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা৷ একই সঙ্গে টানা তৃতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেতাবের লক্ষ্যে এক পা বাড়িয়ে রাখে জিদানের ছেলেরা৷

যথারীতি ফর্মে থাকা ক্রিশ্চিয়ানোকে সামনে রেখে দল নামালেও রিয়াল কোচ জিদান বেল-বেঞ্জেমা-মার্কো ত্রয়ীকে রিজার্ভ বেঞ্চে রেখে ম্যাচ শুরু করেন৷ বায়ার্ন অবশ্য অভিজ্ঞ রবেন, রিবেরি, মুলার, রডরিগেজ, লেওয়ানডোস্কিকে নিয়ে পূর্ণ শক্তির প্রথম একাদশেই আস্থা রাখে৷

রোনাল্ডো এদিন কেরিয়ারের ১৫১ তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন৷ সর্বাধিক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচ খেলার নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে থাকা জাভি হার্নান্ডেজকে ছুঁয়ে ফেলেন তিনি৷ সামনে রয়েছেন শুধু ক্যাসিয়াস৷ তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ১৬৭টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন৷

ম্যাচের কুড়ি সেকেন্ডের মধ্যেই গোল করার উপক্রম করেছিল বায়ার্ন৷ লেওয়ানডোস্কির ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারলেই রিয়ালের অরক্ষিত জালে বল জড়াতে পারতেন মুলার৷ ফিনিশিং টাচ দিতে না পারায় সে যাত্রায় রক্ষা পায় মাদ্রিদ৷

ম্যাচ শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বায়ার্ন শিবিরে বড়সড় ধাক্কা লাগে৷ চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় অভিজ্ঞ রবেনকে৷ তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন থিয়াগো৷ ২৮ মিনিটে রডরিগেজের পাস থেকে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দিয়েছিলেন জোশুয়া কিমিখ৷ যদিও প্রথমার্ধেই গোল শোধ করে দেয় রিয়াল৷ ৪৪ মিনিটে কার্ভাহালের ক্রস থেকে বায়ার্নের জালে বল জড়িয়ে দেন মার্সেলো৷

দ্বিতীয়ার্ধে ইসকোর পরিবর্তে মাঠে নামা মার্কো ৫৭ মিনিটের মাথায় লুকাসের পাস থেকে রিয়ালের হয়ে জয়সূচক গোল করেন৷ বাকি সময়টায় ম্যাচে সমতা ফেরানোর একাধিক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি বায়ার্ন৷

----
--