মহাজোটে দিলীপের খোঁচা, আঞ্চলিক দলগুলি ‘রসালো ডিপার্টমেন্ট’ পেতে চায়

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আঞ্চলিক দলগুলি এনডিএতে ‘রসালো ডিপার্টমেন্ট’ পেতে এখন থেকেই সক্রিয়৷ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কালভাকুন্তলা চন্দ্রশেখর রাও এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক সম্পর্কে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷

সোমবার দুই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পর সাংবাদিকরা রাজ্য বিজেপির সভাপতিকে তৃতীয় ফ্রন্টের ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিলেন৷ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এই যে ফ্রন্টের কথা বলা হচ্ছে, তার নীতি বা আদর্শ বলে কিছুই নেই৷ খালি মিডিয়াতেই এর কথা শুনছি৷ আমরা অবহেলা করছি না৷ একটা তো শক্ত প্রতিপক্ষ দরকার৷ তাতে কাজকর্ম ভালো হয়৷ কংগ্রেসের কোনও অস্তিত্ব নেই৷ নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে গোটা দল৷’’

আরও পড়ুন: মুকুল রায়কে নিয়েছি, তারপর দেখা যাক , বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

- Advertisement -

একই সঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এই সব আঞ্চলিক দলগুলি জানে ভোটের পর তাদের কাছে যা আসন আছে, তাও থাকবে না৷ তখন এই দর কষাকষি করার ক্ষমতাও হারাবে৷ অথবা কেউ, এনডিএতে যোগ দিয়ে ভালো জায়গা, রসালো ডিপার্টমেন্ট (মন্ত্রক) পাওয়ার জন্য এখন থেকে রাস্তা বানিয়ে রাখছে৷’’

দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এই জোট একটা গিমিক৷ কোন মহৎ উদ্দেশ্য নেই এঁদের৷ এই ধরনের আঞ্চলিক দলগুলি যখন জনভিত্তি হারায়, তখন এরা বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে৷ এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে৷ কেন্দ্রে যে সরকার কাজ করছে, তা জনতা দেখছে৷ সেই উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে জনতা আছে৷ আঞ্চলিক দলগুলি ধীরে ধীরে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে৷’’

আরও পড়ুন: শ্যামাপ্রসাদের নামে কালি: এককাট্টা সবুজ-লাল-গেরুয়া

রাজ্য বিজেপির সভাপতির কটাক্ষ, পশ্চিমবঙ্গের যে সরকার, তারা বিজেপি বিরোধী বলে পরিচিত৷ তারা না কি এই সব আঞ্চলিক দলগুলিকে নেতৃত্ব দেবে৷ একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা৷ যাঁরা পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি করতে পারেন না, তাঁরা আবার ভারতের উন্নতির কথা চিন্তা করছেন৷ এতে তাঁদেরও উৎসাহিত হওয়ার কারণ নেই৷ বিজেপিরও চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই৷

শুধুমাত্র তাই নয়৷ রাজ্য বিজেপির সভাপতির মতে, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি বাংলায় আসেন, এখানকার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন, এতে জল্পনা করা যেতে পারে৷ ফলাফলের আশা করবেন না৷ মাননীয় চন্দ্রশেখর রাও এসেছেন৷ কালীঘাটে পুজো দিয়ে বাড়ি যান৷ ভোট এগিয়ে এলেই কিছু আঞ্চলিক পার্টি দর কষাকষি শুরু করে৷ কিন্তু তাতে কিছু হয় না৷ কারণ, সাধারণ মানুষ উন্নয়ন চান৷ উন্নয়নের নিরিখেই ভোট হয়৷

Advertisement
----
-----