OMG!!! ক্যাফের টেবিলে পাইথন, ইগুয়ানা

পছন্দের মানুষকে নিয়ে সময় কাটাতে গিয়েছেন ক্যাফেতে৷ টেবিলে ঘুরছে আলবিনো পাইথন কিংবা অরেঞ্জ কর্ন স্নেক৷ আপনার পছন্দের কোল্ড কফি গ্লাসকে জড়িয়ে রেখেছে ছোট্ট গিরগিটি কিংবা ইগুয়ানা৷ আড্ডার ফাঁকে আপনিও কোলে তুলে নিলেন সেসব সরীসৃপকে৷ চলল সেলফি সেশন৷ আপনি ভাবছেন এর সবটাই বুঝি বুজরুকি! মোটেই না৷ তিন সত্যি! কম্বোডিয়াতে রয়েছে এমনই এক ক্যাফে৷ যেখানে ভয়ঙ্কর সব সরীসৃপ অবাধে ঘুরে বেড়ায় টেবিলে টেবিলে৷ তাদের সঙ্গে বসেই চা কিংবা কফি কাপে চুমুক দেন লোকজন৷ পোশাকি নাম reptile-themed cafe৷

ক্যাফের মালিক Chea Raty বলেন, প্রথম প্রথম অনেকেই সাপ, টিকটিকি দেখে ভয়ে এই ক্যাফেতে আসতে চাইতেন না৷ কিন্তু ধীরে ধীরে লোকজন অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে৷ Chea Raty’র একটি ক্যাট ক্যাফে ছিল৷ ক্যাট ক্যাফে কম্বোডিয়ায় খুবই জনপ্রিয়৷ এই ক্যাফের বিশেষত্ব, বিভিন্ন ধরনের বিড়ালের মাঝে বসেই আপনি চা-কফি পান করার সুযোগ পাবেন৷

- Advertisement -

তারপর তাঁর মাথায় আসে এধরনের সরীসৃপদের নিয়ে ক্যাফে খোলার কথা৷ এখন তো এই ক্যাফে নিয়ে বহু আলোচনা হয়৷ শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও নাম রয়েছে এই রেপটাইল ক্যাফের৷ Chea Raty বলেন, যখন দেখি লোকজন ক্যাফেতে এসে সাপ, গিরগিটির সঙ্গে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছে খুব ভালো লাগে৷ তাঁরাও খুব মজা পান৷ চাই, আমি যতটা এই প্রাণীদের ভালোবাসি, সকলে যেন ততটাই ভালোবাসা ওদের দেয়৷’’

বিভিন্ন প্রকারের সাপের দেখা পাওয়া যায় ক্যাফেটিতে৷ এবং ক্যাফেতে ঢুকতে কোনও টাকা দিতে হয় না৷ যাঁরা আসেন তাঁরাও বেশ উৎফুল্ল৷ বলেন, এই ক্যাফে আর পাঁচটা ক্যাফের থেকে একদম আলাদা৷ এখানকার প্রাণীগুলি খুবই সুন্দর৷ এমনই এক কাস্টমার ওয়াই নভিম নিজের অভিজ্ঞতার কথা সংবাদসংস্থা এএফপিকে শেয়ার করতে গিয়ে বলেন, ‘‘কমলা রঙের কর্ন স্নেকটিকে দেখে প্রথমে আমি একটু ঘাবড়েই গিয়েছিলাম৷ কিন্তু মুহূর্তে সেসব কাটিয়ে হাতের তালুতে নিয়ে নিলাম৷ কফি কাফে চুমুক দিতে দিতে ওর দিকেই তাকিয়ে রইলাম৷’’

এই ক্যাফে সাজাতে সবকিছুই নিয়ে আসা হয়েছে থাইল্যান্ড থেকে৷ এখনও এ ধরনের প্রাণীর প্রতি ভয় রয়েই গিয়েছে৷ তবু যখন কেউ গলায় পাইথন জড়িয়ে হাসিমুখে সেলফি তোলেন এটাই আত্মবিশ্বাস জোগায়, বলছিলেন Chea Raty৷

Advertisement ---
---
-----