স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: ভোটারদের কাছে ঠিকমতো পৌঁছতে পারেনি দল৷ তারই প্রভাব পড়েছে ব্যালটবাক্সে৷ তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়েছেন জঙ্গলমহলের মানুষ৷ এ কথা কার্যত স্বীকার করে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীসভার অন্যতম মুখ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়৷

পঞ্চায়েত ভোটের ফল প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের সার্কিট হাউসে একটি রিভিউ মিটিং করল তৃণমূল৷ বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী চূড়মণি মাহাতো, বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো, দীনেন রায়, প্রদ্যোৎ ঘোষ, উত্তরা সিংহ হাজরা৷

আরও পড়ুন: রাতভর বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জলপাইগুড়ি

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দল আর জনগনের মধ্যে সেতু হল সরকার৷ সেতু ঠিক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দলের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কে দূরত্ব বাড়ল তা নিয়ে আমরা পর্যালোচনা শুরু করেছি৷ সুব্রত বক্সি এসেছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় আসবেন৷ মুখ্যমন্ত্রীও আসবেন৷’’

এদিনের বৈঠক প্রসঙ্গে মন্ত্রী শোভনদেব বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন এ রাজ্যে কোনও গ্রামই বিদ্যুৎহীন থাকবে না৷ তাই আমরা সব গ্রামের দিকে নজরও রেখেছি৷ কোনওভাবেই যেন দলের কারও মধ্যে আত্মতুষ্টির ব্যাপার না আসে এদিনের রিভিউ মিটিংয়ে তা নিয়েও কথা হয়েছে৷’’ আনা হচ্ছে সৌভাগ্য, আইপিডিএস, দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রকল্পগুলি৷

আরও পড়ুন: সমাবর্তনে সপ্তপর্ণীও হাতে পাবেন না ছাত্রছাত্রীরা

এদিকে ঝাড়গ্রাম জেলায় কয়েক কোটি টাকা বিদ্যুতের বিল বকেয়া পড়ে রয়েছে৷ সেগুলি আদায় প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ‘‘বাম জামানায় ভোটের জন্য বহু মানুষকে বিনা পয়সায় বিদ্যুতের সংযোগ করে দেওয়া হয়েছিল৷ বিদ্যুৎ বিল দিতে হবে না বলে সেই সময়ের সরকার বিদ্যুৎ পরিষেবা দিয়েছিল৷ কিন্তু এটা তো নিয়ম বহির্ভূত৷ এদিকে গ্রাহকদের তো দোষ নেই৷ তারাই বা শুনবে কেন৷’’ তিনি বলেন, বিষয়টি তার হাতে নেই৷ তবে একটা না একটা সমাধান সূত্র ঠিকই বের হবে৷

আরও পড়ুন: মমতার সঙ্গে বন্ধুত্বে আপত্তি নেই সিপিএমের

----
--