পাঁচ রোহিঙ্গাকে মায়ানমারে ফেরত পাঠাল ভারত

গুয়াহাটি:  পাঁচ রোহিঙ্গাকে মায়ানমারে ফেরত পাঠাল ভারত। ওই পাঁচ রোহিঙ্গা একই পরিবারের সদস্য। মণিপুর সীমান্ত থেকে মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদের। এই নিয়ে গত চার মাসে দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গা পরিবারকে মায়ানমারে ফেরত পাঠাল ভারত।

মায়ানমারে লাগাতার হিংসা ও নিপীড়নের শিকার হয়ে বিভিন্ন সময়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। এদের বেশিরভাগই বসবাস করছে আশ্রয় শিবিরে। আবার অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে অনেককে রাখা হয়েছে অভিবাসী আটক কেন্দ্রে। রোহিঙ্গারা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যথেষ্ট আশঙ্কার। তাঁদের বারবার মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা বলে আসছেন বিজেপি নেতারা। সেখানে দাঁড়িয়ে এই পাঁচ রোহিঙ্গা সদস্যকে দেশে ফেরানোর ঘটনা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১২ সাল থেকে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে কারাভোগ করা সাত রোহিঙ্গাকে গত বছরের ৪ অক্টোবর মায়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত। এবার দ্বিতীয় দফায় আরও পাঁচজন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাচ্ছে ভারত।

রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার সকালে একটি পাঁচ সদস্যের রোহিঙ্গা পরিবারকে বাসে করে সীমান্তে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ২০১৪ সালে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের তিন সন্তানের পরিবারটিকে উত্তর-পূর্ব অসমে গ্রেফতার করা হয়। কারাদণ্ডও দেওয়া হয় তাদেরকে।

অসম পুলিশের তরফে র‍টার্সকে জানাও হয়েছে, ‘পাঁচ রোহিঙ্গাকে মায়ানমারের আধিকারিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা সীমান্ত অতিক্রম করেছে।’

প্রথম দফায় সাত রোহিঙ্গাকে ভারত থেকে মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর পর থেকেই ভারতীয় আশ্রয় শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের মনে বিতাড়নের আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেসময় অসম সরকার জানায়, তারা আরও ২৩ রোহিঙ্গাকে মায়ানমারে ফেরত পাঠাবে। এরপরই ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ শুরু করে ভারত।

---- -----