বিদায়ী স্পিচে কাউকে মিস করতে চাইনি: সচিন

ক্ষুদেদের মাঝে সচিন৷ মুম্বইতে একটি অনুষ্ঠানে৷ ফাইল চিত্র

মু্ম্বই:  ওয়াংখেড়েতে মাস্টার ব্লাস্টারের ফেয়ারওয়েল স্পিচ মন ছুঁয়ে গিয়েছিল গোটা ভারতবাসীর৷ যারা ক্রিকেট ভালবাসেন না, তাঁরাও সচিন তেন্ডুলকরের ফেয়ারওয়েল স্পিচ শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে টিভি সামনে বসেছিলেন৷ মাস্টার ব্লাস্টারের কথাগুলি শুনে মাঠ এবং মাঠের বাইরের দর্শকের প্রত্যেকের চোখেই জল এসে গিয়েছিল৷ ২০ মিনিটের সেই স্পিচে সচিন নিজেও চাননি তাঁর জীবনের কোনও কাছের মানুষের নাম উল্লেখ করতে ভুলে যেতে ৷ খুব কম সময় হাতে থাকলেও, একটা ‘চিরকূটে’ নিজের কাছের মানুষের নাম লিখে রেখেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার৷ যাতে কারুর নাম উল্লেখ করতে তিনি ভুলে না যান৷ সচিন জানিয়েছেন, কলকাতায় ম্যাচ শেষ হওয়ার পর মুম্বইগামী ফ্লাইটে বসেই তিনি অনুভব করেছিলেন এবার চিরকালের মতো ক্রিকেট ছাড়তে চলেছেন তিনি৷ তিনি বলেন, ‘ ফ্লাইটে একা বসে আমি ভাবছিলাম, আমার জীবনে যাঁরা কাছের মানুষ, তাঁদের কথা উল্লেখ করতে যেন আমি ভুলে না যাই৷ সেইমতো আমি তখনই প্রত্যেকের নাম ভেবে রেখেছিলাম৷ কারণ আমি জানতাম মুম্বই ম্যাচ কখন তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে যে বুঝতেই পারব না ৷’ সচিন আরও বলেন, ‘ আমার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষগুলির প্রত্যেকের নামই ফেয়ারভেল স্পিচে উল্লেখ করতে চেয়েছিলাম আমি ৷ কারণ প্রত্যেকেই চেয়েছিলেন আমি আমার বিদায়ী ম্যাচ শেষে কিছু বলি৷ আমার কাছের মানুষদের আমি নিরাশ করতে চাই নি৷বিদায়ী মুহূর্তটা ছিল অত্যন্ত স্পেশ্যাল৷ প্রত্যেকের নাম উল্লেখের পাশাপাশি বাকিটা যা আমি বলেছিলাম, সবটাই নিজের অন্তর থেকে৷ কারণ আমার জীবনে যে ভালবাসা এবং সম্মান আমি পেয়েছি, যেভাবে আমাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, তা সত্যিই খুব স্পেশ্যাল আমার কাছে৷ নিজের সেই অনুভূতি আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না৷’

Advertisement ---
-----