সচিন কী “ভারতরত্নের” যোগ্য? জানতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সচিনের ভারতরত্ন নিয়ে মামলার নিষ্পত্তি কলকাতা হাইকোর্টে না হওয়াতে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন আবেদনকারী। ২০১৪ সালে সচিন তেন্ডুলকরকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করে ভারত সরকার। ৪৫ জন ভারতরত্ন প্রাপকের মধ্যে একমাত্র স্পোর্টসম্যান ক্রিকেট ঈশ্বর। বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া তেন্ডুলকরের ‘ভারতরত্ন’ সম্মান নিয়ে শুরু হয়ে নতুন বিতর্ক।

এই সংক্রান্ত আরও খবর: সচিনের থেকে কি কেড়ে নেওয়া হবে ভারতরত্ন

ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পাওয়ার পরও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হয়ে বিজ্ঞাপন করে থাকেন সচিন। ঠিক এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন কমল দে। যে ৪৫ জন ভারতরত্ন প্রাপকের মধ্যে সচিন বাদে বাকি ৪৪জন কোনদিন নিজেদের কোন বিজ্ঞাপনের সঙ্গে যুক্ত রাখেননি। কিন্তু সচিন তেন্ডুলকর ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাওয়ার পরও কিভাবে বিজ্ঞাপন করেন? এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন। শুক্রবার বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এবং অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় সচিন মুম্বইবাসী তাই কলকাতা হাইকোর্টে থেকে এবিষয়ে কোন রায় দেওয়া যাবে না। আবেদনকারী চাইলে দিল্লি হাইকোর্ট কিংবা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারেন৷

- Advertisement -

শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হবেন কমল দে? তিনি বলেন, “দেখুন আমি আগে এই নিয়ে রাষ্ট্রপতির সেক্রেটারিয়েট, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি পাঠিয়ে জানতে চেয়েছিলাম একজন ভারতরত্ন প্রাপক কিভাবে বেসরকারি বিজ্ঞাপন করতে পারেন। আমাকে জানানো হয় সচিন ছাড়া আর কেউ এমন বিজ্ঞাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তারপরই আমি কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করি। আদালত জানিয়েছে এটা তাদের এক্তিয়ারের বাইরে। সোমবার কপি হাতে পেলেই আমি সুপ্রিম কোর্ট যাবো।”

২৪ বছরের অবিস্মরণীয় ক্রিকেট কেরিয়ারে যেমন মাঠে ঝড় তুলেছিলেন, তেমনই পঞ্চাশটির বেশি সংস্থার বিজ্ঞাপন করেছেন সচিন। ক্রিকেট খেলাকালীন বিজ্ঞাপন বাবদ তিনি পেতেন প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। তিনি ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন সাড়ে প্রায় পাঁচ বছর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু মাস্টার ব্লাস্টারের ব্র্যান্ড ভ্যাল্যু এখনও বিশাল। ২০১৬-র তথ্য অনুযায়ী তিনি এখনও আটটি বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপনের কাজ করেন।

Advertisement
-----